kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

সাংবাদিক রাশীদ উন নবী বাবু চলে গেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাংবাদিক রাশীদ উন নবী বাবু চলে গেলেন

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ কে এম রাশীদ উন নবী বাবু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রী ও এক মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 

তাঁর মেয়ে ফারাহ আনিকা অনন্যা জানান, গত রবিবার তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই গত রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাতেই বগুড়া নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করার কথা।    

রাশীদ উন নবী বাবুর জন্ম ১৯৫৬ সালের ১২ মার্চ বগুড়ায়। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর ১৯৭৪ সালে বগুড়ার দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা দিয়ে তাঁর সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু। ৪৫ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি দৈনিক বাংলা, বাংলার বাণী, দেশবাংলা, আজকের কাগজ, ইত্তেফাক, সমকাল, আমার দেশ, যুগান্তর, এনটিভি, চ্যানেল ওয়ান, ইনকিলাব ও সাপ্তাহিক পূর্ণিমায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দৈনিক সকালের খবরের সম্পাদক ছিলেন। সর্বশেষ তিনি প্রকাশিতব্য ‘দৈনিক আমার দিন’-এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

গত বছরের এপ্রিলে রাশীদ উন নবী বাবুর অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সার ধরা পড়ে। প্রথমে ঢাকার আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মে মাসে তাঁকে ভারতের তামিলনাড়ুর ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মিশনারি হাসপাতালে (সিএমসি) নেওয়া হয়। সেখানে এক মাস চিকিৎসা নেন তিনি। সিএমসির চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার সম্ভব নয়। পরের মাসে তিনি মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এলেও শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। বরং ক্যান্সার শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ শরীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হলে গত দুই মাসে চারবার তাঁকে বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

রাশীদ উন নবী বাবু জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের জ্যেষ্ঠ সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমীনসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা