kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

রাখাইন থেকে পালাচ্ছে মানুষ

ফের সেনা অভিযান

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




রাখাইন থেকে পালাচ্ছে মানুষ

চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতির কারণে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বড় ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক দপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাখাইন রাজ্যের রাথিডং টাউনশিপের কিয়াউক তান গ্রামে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে। পশ্চিমা কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, সামরিক বাহিনীর অভিযানের ভয়ে গতকাল বুধবার সকালেও রাথিডং শহরতলির বাসিন্দারা সিতুয়ের দিকে পালিয়ে যাচ্ছিল।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসামরিক জনগণের ওপর রাখাইন রাজ্যে চলমান অস্থিতিশীলতার মাত্রা যাচাইয়ে মানবিক সহায়তা অংশীদাররা কাজ করছে। তবে সংকটের ভয়াবহতা যাচাই করা বেশ কঠিন হচ্ছে।

জাতিসংঘ বলেছে, স্থানীয় অংশীদার ও সরকারি সূত্রগুলোর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাথিডং শহরতলিতেই প্রায় দেড় হাজার বাসিন্দার নতুন করে বাস্তুচ্যুত হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বুথিডং, পনাগিয়ান ও সিতুয়েতে প্রায় এক হাজার ৩০০ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এবারের সংঘাতের আগে থেকেই রাথিডংয়ে প্রায় ১৪ হাজার ৭৫৭ জন অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি ছিল। নতুন করে বাস্তুচ্যুতি নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) সংক্রমণের ঝুঁকি আরো বাড়িয়েছে।

জানা গেছে, মিয়ানমারের রাথিডং টাউনশিপে গত ২৫ জুন নিরাপত্তা বাহিনী ‘নির্মূল অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেয়। এর পর থেকেই পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটে। জাতিসংঘ গত ২৮ জুন এক বিবৃতিতে রাখাইনে সংঘাতের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ জানায় এবং সংঘাতের সব পক্ষকে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়। মিয়ানমারে পশ্চিমা কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থাগুলোও জাতিসংঘের মতো উদ্বেগ ও আহ্বান জানায়। মিয়ানমারে কর্মরত ২১টি আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা গত মঙ্গলবার মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মিকে সংঘাত বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা