kalerkantho

বুধবার । ৩১ আষাঢ় ১৪২৭। ১৫ জুলাই ২০২০। ২৩ জিলকদ ১৪৪১

প্রধানমন্ত্রীকে পাঁচ সংগঠনের চিঠি

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে আরো পেছাবে বাংলাদেশ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৫ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে আরো পেছাবে বাংলাদেশ

সাংবাদিক ও কার্টুনিস্ট নিপীড়নের পটভূমিতে বৈশ্বিক গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের আরো পেছানোর আশঙ্কা করেছে পাঁচটি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে গত বুধবার ঢাকা, লন্ডন ও প্যারিস থেকে লেখা এক যৌথ চিঠিতে ওই সংস্থাগুলো বলেছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারমূলক বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই।

জানা গেছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা পাঁচটি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারির সময় সাংবাদিক ও কার্টুনিস্টদের ওপর শারীরিক ও ‘বিচারিক’ আক্রমণে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। সংস্থা পাঁচটি হচ্ছে—কার্টুনিস্টস রাইটস নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল (সিআরএনআই), রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ), ফোরাম ফ্রিডম এক্সপ্রেশান বাংলাদেশ (এফইএক্সবি), আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং কার্টুনিং ফর পিস।

ওই সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, সাংবাদিক শাহ সুলতান আহমেদসহ অন্তত ১৩ জন সাংবাদিকের ওপর নির্যাতন, হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির তথ্য তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তাঁরা লিখেছেন, ‘সাংবাদিকদের স্বাধীনতার কথা আমরা সব সময় বিশ্বাস করি’—এটি আপনারই কথা। ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর দুস্থ সাংবাদিকদের সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে আপনি ওই কথা বলেছিলেন। আপনি বলেছিলেন, ‘এটা কেউ বলতে পারবে না যে কারো গলা টিপে ধরেছি অথবা কাউকে বাধা দিয়েছি—দিইনি, দিই না।’

ওই পাঁচ সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসব দাবির সঙ্গে যে বাস্তবতা কোনোভাবেই মেলে না, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তাঁরা লিখেছেন, ‘আপনার ওই বক্তব্যের পর থেকে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের বৈশ্বিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ পাঁচ ধাপ পিছিয়েছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫১তম স্থান পেয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের বিরক্তিকর সংখ্যার প্রেক্ষাপটে আমরা আশঙ্কা করছি, আগামী বছর বাংলাদেশের অবস্থান আরো পেছাবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা