kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

গণপরিবহন মালিকদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের

যাত্রীসেবা দেওয়ার শর্ত বা নীতিমালা ঠিক করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যাত্রীসেবা দেওয়ার শর্ত বা নীতিমালা ঠিক করুন

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘লাখ লাখ শ্রমিক ও মালিকের জীবনের সঙ্গে পরিবহনের একটি সম্পর্ক রয়েছে। শেখ হাসিনা একজন মানবিক মানুষ। তাঁর মানবিকতা ও দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রশ্নাতীত। অনুরোধ করব, আপনারা যাঁরা পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাঁরা চলমান সংকট মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসাবেন না। সামান্য ভুল বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে। আপনারা কিছু শর্ত বা নীতিমালা ঠিক করুন, কিভাবে যাত্রীসেবা দেওয়া যায়, তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা যায়।’

গতকাল শুক্রবার বিকেলে গণপরিবহন চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের এক মতবিনিময় সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএর অফিসে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সভার সঙ্গে সংযুক্ত হন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ রোধকল্পে সরকার মার্চের শেষ সপ্তাহে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মৃত্যু ও সংক্রমণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছলেও সার্বিক দিক বিবেচনা করে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। জনগণের জীবনের পাশাপাশি জীবিকার গতি সচল রাখতে শেখ হাসিনার সরকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণ ছুটি না বাড়ানোর এবং গণপরিবহন চালুর বিষয়ে শর্তসাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘এখানে শ্রমিক, চালক, যাত্রী, পথচারী অনেকেই সংশ্লিষ্ট। একজন গাড়িতে উঠলে চেইন রি-অ্যাকশনে অনেককে সংক্রমিত করতে পারে। তাই ঢালাওভাবে নয়, নিয়ন্ত্রিত উপায়ে সীমিত পরিসরে যাত্রীসেবা প্রদানে আপনারা প্রতিপালনীয় শর্তগুলো ঠিক করুন। শুধু ঠিক করলেই হবে না, কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এর পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সে দিকেও নজর রাখতে হবে।’ করোনার মৃত্যুর মিছিলের পাশাপাশি দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল দেশের মানুষ দেখতে চায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনারা এমন সিদ্ধান্ত নেবেন এবং বাস্তবায়ন করবেন, যেন গণপরিবহন সংক্রমণের উর্বর ক্ষেত্র হতে না পারে। এমনিতেই জনগণ উদ্বিগ্ন। আপনারা জনগণের উদ্বেগকে কমিয়ে আনতে সাহায্য করবেন। অতীতে দেশ ও জাতির নানা সংকটে পরিবহন খাত সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এখনো আমরা একটি পরীক্ষার মুখোমুখি। শেখ হাসিনা গণপরিবহন সীমিত পর্যায়ে পরিচালনার যে সাহসী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তা আপনাদের ওপর দৃঢ় আস্থার বহিঃপ্রকাশ। আপনারা তাঁর আস্থার প্রতি সম্মান রাখবেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা