kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

‘প্লাজমা ব্যাংক’ গড়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ

‘প্লাজমা থেরাপি সব করোনা রোগীর পাওয়া দরকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘প্লাজমা ব্যাংক’ গড়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ

করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এরই মধ্যে শারীরিক সুস্থতার জন্য দুইবার নিয়েছেন প্লাজমা থেরাপি। এই থেরাপি নেওয়ার পর নিজের শারীরিক উন্নতি দেখে দেশের সব মানুষের প্লাজমা থেরাপি সুবিধা পাওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে ‘প্লাজমা ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘করোনা চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপি ম্যাজিকের মতো কাজ করে। নিজে এটা নিয়ে তা বুঝতে পারছি। বৃহস্পতিবার শারীরিকভাবে বেশ দুর্বলতা অনুভব করছিলাম। গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে গিয়ে এক ব্যাগ রক্ত নিতে হয়েছে। নিয়মিত কিডনি চিকিৎসার অংশ হিসেবে ডায়ালিসিস করতে হয়েছে। কিন্তু, প্লাজমা থেরাপি নেওয়ার পর চাঙ্গা হয়ে উঠেছি। প্লাজমা থেরাপি সব করোনা রোগীর পাওয়া দরকার। শুধু আমরা কয়েকজন সুবিধা পাব আর দেশের অন্যরা বঞ্চিত থাকবে, তা হতে পারে না।’

সবার প্লাজমা থেরাপি পাওয়া সম্ভব কি না এমন প্রশ্নের জবাবে গতকাল শুক্রবার তিনি বলেন, ‘আমার করোনা শনাক্ত হওয়ার পর প্রফেসর ডা. মহিউদ্দিন খান ফোন করে প্লাজমা থেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর আমি প্লাজমা থেরাপি নিই। প্রথমবার প্লাজমা থেরাপি নিয়েই বুঝতে পারি, করোনা রোগের জন্য এটা অত্যন্ত কার্যকর। এখন প্লাজমা ডোনেট করার জন্য দেশের মানুষকে বোঝাতে হবে। যদি সবাই মিলে উদ্যোগ নেওয়া যায়, বোঝানো যায়, তাহলে যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে গেছেন ও শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে, তাঁরা খুব সহজে ডোনেট করতে পারবেন। আমাদের এটাই এখন মানুষকে বোঝাতে হবে। প্লাজমা দেওয়া অত্যন্ত মহৎ কাজ। যাঁরা দিচ্ছেন তাঁরা অত্যন্ত মহৎ কাজ করছেন। তাঁদের সেই কাজের অংশ হিসেবেই আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে একটি ‘প্লাজমা ব্যাংক’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছি।’

এই কাজে অর্থ জোগানের কথা উল্লেখ করে জাফরুল্লাহ বলেন, ‘এই কাজের জন্য কিছু সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে। কিছু অর্থও লাগবে। অর্থের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে গণস্বাস্থ্যের সম্পদের বিপরীতে ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে নেব। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামগুলো যদি উড়োজাহাজে করে আনি, তাহলে দুই সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না। সব কিছু মিলিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যেই আমরা সরঞ্জাম এনে স্থাপন করে ফেলতে পারব।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা