kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

করোনা সংকটের মধ্যে ভারতে পঙ্গপালের হানা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৯ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা সংকটের মধ্যে ভারতে পঙ্গপালের হানা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ভারতজুড়ে লকডাউন চলার মধ্যেই দেশটির মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় পঙ্গপালের আক্রমণ শুরু হয়েছে। ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল এসব রাজ্যের বহু গ্রাম ও শহরে ঢুকে পড়েছে, হানা দিয়েছে ফসলের ক্ষেতে। এতে দেশজুড়ে নতুন এক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দাবদাহ। রাজধানী দিল্লিসহ দেশটির উত্তরাঞ্চল তীব্র দাবদাহের কবলে পড়ায় পরিস্থিতি আরো নাজুক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত কয়েক দশকের মধ্যে চলতি বছর এই সময়ে দেশটিতে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। বৈশ্বিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট এল ডোরাডো জানিয়েছে, মঙ্গলবার পুরো বিশ্বের মধ্যে দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকার তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল। বিবিসি জানায়, এদিন উত্তর ভারতের বহু এলাকায় তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। দিল্লির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছোঁয়।

এমন দাবদাহের জন্য গত সপ্তাহে পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশে আঘাত হানা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্ফানও আংশিক দায়ী বলে ভারতের আবহাওয়া কর্মকর্তারা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। ‘সুপারসাইক্লোন আম্ফান দেশের অপরাপর অংশ থেকে সব জলীয়বাষ্প শুষে নিয়েছে’, হিন্দুস্তান টাইমস সংবাদপত্রকে বলেছেন আঞ্চলিক আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রের প্রধান কুলদ্বীপ শ্রীবাস্তব।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দাবদাহের কারণে ভারতে অনেক লোকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বর্তমান দাবদাহের কারণে কারো মৃত্যু হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি।

দাবদাহের কারণে ফসল ধ্বংসকারী পঙ্গপালের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও ছেদ পড়ছে। রাজস্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় শতাধিক শ্রমিক গাড়ির ওপর বসানো স্প্রে, কীটনাশক ও ড্রোন নিয়ে তীব্র গরমের মধ্যে পঙ্গপালের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা