kalerkantho

রবিবার । ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩১  মে ২০২০। ৭ শাওয়াল ১৪৪১

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ

ভেন্টিলেটর ও বিশেষজ্ঞদল চাইল বাংলাদেশ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক    

৯ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভেন্টিলেটর ও বিশেষজ্ঞদল চাইল বাংলাদেশ

নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারি মোকাবেলায় চীনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে ভেন্টিলেটর এবং চিকিৎসক ও নার্স সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞদল চেয়েছে বাংলাদেশ। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে ফোন করেন। সে সময় বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই সহযোগিতা চান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পৌনে এক ঘণ্টাব্যাপী ওই ফোনালাপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন করোনাভাইরাস চিকিৎসায় শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের জন্য চীন থেকে বিশেষজ্ঞদল আনার সম্ভাবনার বিষয়ে আলোচনা করেন। ওই সময় তিনি করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসায় এবং বাংলাদেশি চিকিৎসা পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য চীন চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞদল পাঠাতে পারে কি না সে বিষয়েও আলোচনা করেন।

শিগগির আসছে চীনের মেডিক্যাল টিম : এদিকে গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ও চীনের মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, চীন এরই মধ্যে করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা দিচ্ছে। স্থানীয় চিকিৎসক ও নার্সদের আরো প্রত্যক্ষ সহযোগিতা দিতে শিগগির চীন থেকে ১৫ সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম বাংলাদেশে আসছে।

চীনের রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবেলায় চীন বাংলাদেশের পাশে আছে। যত দিন পরিস্থিতি অনুকূলে থাকবে তত দিন পদ্মা সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজার ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চীন এ দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে চীনা সরবরাহকারীদের জন্য সব ‘ব্যাক টু ব্যাক’ ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে এক বছরের জন্য দেরিতে টাকা পরিশোধের বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ জানান। চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দেন এবং বাংলাদেশকে পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিষয়েও সহযোগিতার আবেদন জানান। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের গুরুত্ব অনুধাবন করেন এবং এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তাঁর দেশে করোনা সংকটের সময় মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্লাভস ইত্যাদি পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনও বাংলাদেশে সংকটের সময় চীনা সহযোগিতার জন্য চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা