kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

কোয়ারেন্টিনের নিয়মে পার হচ্ছে খালেদা জিয়ার দিন

চিকিৎসা তদারকির দায়িত্বে পুত্রবধূ জোবাইদা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কোয়ারেন্টিনের নিয়মে পার হচ্ছে খালেদা জিয়ার দিন

কোয়ারেন্টিনের কঠোর নিয়মের মধ্যে প্রথম দিন অতিবাহিত হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার। বুধবার কারাগার থেকে বের হওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার ভাই শামীম এস্কান্দারের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা তাঁর সঙ্গে দেখা করে খোঁজখবর নিয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপিপন্থী চিকিৎসক নেতা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও ডা. মামুন সকালে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসা ফিরোজায় গিয়ে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। তবে বাসায় গেলেও তাঁরা ভবনের দোতলায় যাননি। বোন সেলিমা ইসলাম ও ভাই শামীম এস্কান্দারসহ আত্মীয়রা আগের দিন বুধবারই নিজ নিজ বাসায় চলে যান।

এদিকে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা তদারকির দায়িত্ব নিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান। বুধবার থেকেই তিনি শাশুড়ির চিকিৎসার বিষয়ে লন্ডন থেকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন বলে বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, ঢাকায় যাঁরা খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করবেন সেই দলে কোন কোন চিকিৎসক থাকবেন এর তালিকা সম্পর্কেও জোবাইদাকে জানানো হয়েছে। তিনিই সব কিছু সমন্বয় করছেন।    

জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জাহিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী

একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক। তিনি আগেও চিকিৎসার বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছেন। এখনো সব কিছু সমন্বয় করছেন, এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক।’

ডা. জাহিদ আরো জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন পুরোপুরি কোয়ারেন্টিনে আছেন এখন। তিনি কারো সঙ্গে দেখা করছেন না। চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী চলছেন। ফিরোজার দোতলায় সেবিকা শাকিলা ও গৃহকর্মী ফাতেমা খালেদা জিয়ার দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁরাও নিচে নামছেন না বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিএসএফের (চেয়ারপারসনস সিকিউরিটি ফোর্স) ১০ জন সদস্য গত বুধবার থেকেই কাজে যোগদান করেছেন। খালেদা জিয়া কারাগারে থাকার সময় তাঁদের অনেকেই চলে গিয়েছিলেন।

জানা গেছে, গতকাল সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথমেই নামাজ আদায় করেন খালেদা জিয়া। নাশতার পর পরীক্ষার জন্য তাঁর রক্ত নেওয়া হয়। এরপর সারা দিন তিনি বিশ্রামেই ছিলেন। এ সময় দু-একজন স্বজনের সঙ্গে টেলিফোনে কথাও বলেন। অনেক দিন পর নিজের বাসা, আত্মীয়-স্বজন ও নেতাকর্মীদের মাঝে ফিরতে পেরে তিনি বেশ স্বস্তিতে আছেন বলে তাঁর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএসএমএমইউ (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুসরণ করছেন খালেদা জিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা