kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বললেন

ঢাকার বায়ুদূষণ কমাতে সচেষ্ট মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঢাকার বায়ুদূষণ কমাতে সচেষ্ট মন্ত্রণালয়

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বড় বড় শহরের বায়ুদূষণের মাত্রা নির্ণয়ে পরিমাপক যন্ত্র বসানো হয়েছে। উন্নয়নকাজের জন্য বায়ুদূষণ রোধে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোসহ আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় সব সময় সচেষ্ট আছে। তিনি আরো বলেন, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে একই দিনে একই সময়ে এক কোটি গাছ লাগানো হবে।

কালের কণ্ঠ-মন্ত্রীর মুখোমুখি অনুষ্ঠানে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন। কালের কণ্ঠ’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক পার্থ সারথি দাসের সঞ্চালনায় কালের কণ্ঠ ফেসবুক পেজে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে এ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একই দিনে একই সময়ে এক কোটি গাছ লাগানো হবে। প্রধানমন্ত্রী তা উদ্বোধন করবেন।

আগামী ১৭ মার্চ জাতির জনকের জন্মদিনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বন অধিদপ্তরের অধীন সাফারি পার্কসহ বিভিন্ন পার্কে বিনা খরচে প্রবেশ করা যাবে। এগুলো ছাত্রছাত্রীসহ সব দর্শনার্থীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে। জাতির জনকের জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের সামনে উপস্থাপন করা হবে। রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজনও থাকবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে জাতির জনককে তুলে ধরা হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাল-সবুজ পতাকা দিয়েছেন। দিয়েছেন মাথা তুলে দাঁড়ানোর মতো একটি দেশ। মানুষের মনের মণিকোঠায় তিনি আছেন। তাই তাঁকে তুলে ধরতে হবে।  

আমরা আমাদের মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশে ২৫ শতাংশ বন তৈরি করতে বনায়ন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি। এ যাবৎ ১৮ শতাংশ বনায়ন হয়েছে। আমাদের এ সরকারের বাকি সময়ে বাকি কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।

আমরা ২০১৯ সালে আইন করেছি পরিবেশ বাঁচাতে পরিবেশের দূষণ কমাতে। বায়ুর মানোন্নয়নে পুরনো ইটভাটা বন্ধ করা হবে। ব্লক ইট ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হবে সংশ্লিষ্টদের। বায়ুর মান উন্নয়নে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে পরিমাপ যন্ত্র বসিয়েছি। হঠাৎ করে বায়ুদূষণ মুক্ত করা যাবে না। করতে হবে ধাপে ধাপে। ইটভাটায় ইট পোড়ানো, যানবাহনের কালো ধোঁয়া বন্ধ করতে হবে। আমরা পরিকল্পনা করেছি, তার বাস্তবায়ন হলে পরিবেশ দূষণ কমবে।

জলবায়ু তহবিলের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কাজ শুরু হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করা হবে। ঢাকার বায়ুদূষণ হচ্ছে উন্নয়নকাজের জন্যও। উন্নয়নকাজ হলে বায়ুদূষণ হবেই। ঢাকায় মেট্রো রেল হচ্ছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে জড়িত সংস্থাগুলোকে বায়ুদূষণ রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা নির্দেশনা দিয়েছি। পানি ছিটাতে বলেছি। আইন মেনে উন্নয়ন কাজ করতে অনুরোধ জানিয়েছি।

আলোচনা হলে পরিবেশ দূষণ রোধে পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান চালায়। পরে তা বন্ধ হয়। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান কেন হয় না—জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিয়োগপ্রাপ্তরা কাজ করছেন। তবে তাঁদের জনবল কম। এ কারণে সারা দেশে সব সময় কর্মকাণ্ড চালানো সম্ভব হয় না।’

তিনি জানান, উপকূল ও পাহাড়ি অঞ্চলে বনায়ন করা হবে। এ জন্য সুফল নামের প্রকল্পের মাধ্যমে তিন বছর মেয়াদি কাজ চলবে। দূষণ রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা