kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ভোলায় রিকশা থেকে তুলে নিয়ে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’

যৌন নির্যাতনের মামলায় সিরাজগঞ্জ, গৌরনদী ও কেন্দুয়ায় গ্রেপ্তার ৩

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে




ভোলায় রিকশা থেকে তুলে নিয়ে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় রিকশা থেকে তুলে নিয়ে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বুধবার রাতে বাংলাবাজার হালিমা খাতুন কলেজের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যৌন নির্যাতনের পৃথক মামলায় নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রতিনিধিদের খবরে বিস্তারিত—

ভোলা : ভুক্তভোগী নারী দৌলতখান উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তাঁর স্বামী বেঁচে নেই। তিনি দৌলতখান উপজেলার বাংলাবাজারে বেসরকারি একটি ক্লিনিকে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন।

ভোলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. গোলাম রাব্বি চৌধুরী বলেন, ‘ওই নারীকে আমরা অজ্ঞান অবস্থায় পেয়েছি। তাঁর জন্য আজ (বৃহস্পতিবার) একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া ধর্ষণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আমরা নমুনা সংগ্রহ করেছি।’

ভুক্তভোগীর উদ্ধৃতি দিয়ে দৌলতখান থানার ওসি সাদিকুর রহমান জানান, বুধবার রাতে ওই নারী কর্মস্থল থেকে রিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন। হালিমা খাতুন কলেজের পাশে ওই নারী রিকশা থামান। এরপর সন্তানদের জন্য কিছু কেনাকাটা করতে চালককে দোকানে পাঠান তিনি। ওই সময় সোহাগ, মঞ্জুরসহ চার যুবক হাত-পা ও মুখ বেঁধে তাঁকে রিকশা থেকে তুলে নিয়ে কলেজের পেছনে যায়। এরপর চারজন মিলে তাঁকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ওই নারী চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তখন ওই চার যুবক পালিয়ে যায়। ঘটনার একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন ওই নারী। জ্ঞান ফেরে হাসপাতালে নেওয়ার প্রায় আধাঘণ্টা পর।

ওসি আরো জানান, চারজনের মধ্যে দুজনের নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ভোলায় চলতি সপ্তাহে এ নিয়ে দুজনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেল। এর আগে গত রবিবার এক কিশোরীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে চরফ্যাশনে।

গৌরনদী : উপজেলার হোসনাবাদ বাজার এলাকায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে হোসনাবাদ বাজারের হারুন খলিফা (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার হোসনাবাদ বাজারের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকে। তাদের বাড়ি কোটালীপাড়া উপজেলায়। শিশুটির মা-বাবা ঝাড়ুদারের কাজ করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত বুধবার দুপুরে হারুন খলিফা (৪৫) শিশুটিকে দোকানের পেছনে ডেকে নিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন।

কেন্দুয়া : মাদরাসাছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে আবদুল হালিম নেওয়াজ (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে কিশোরগঞ্জের ভৈরব এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগ স্বীকার করেছেন। হালিম নেওয়াজ উপজেলার রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের চর আমতলা গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন তিনি।

সিরাজগঞ্জ : কামারখন্দ উপজেলার পাইকোশা গ্রামে এক মানসিক প্রতিবন্ধীকে (১৬) ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা। মামলার পর পাইকোশা বাজার থেকে অভিযুক্ত সুলতান মাহমুদকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা