kalerkantho

সোমবার । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ ফাল্গুন ১৪২৬। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বিশেষজ্ঞ মত

ছিনতাই রোধে পৃথক ইউনিট গড়তে হবে

আশরাফুল হক

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছিনতাই রোধে পৃথক ইউনিট গড়তে হবে

ছিনতাই নিয়ে শহরবাসী অনেকটাই উদ্বিগ্ন। শহরের নানামুখী উন্নয়ন হচ্ছে। তার পরও অহরহ ছিনতাইয়ের ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে আমাদের। এটা রোধ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এর জন্য সবার আগে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় ছিনতাই রোধ করতে বেগ পেতে হবে।

শহরে ছিনতাইয়ের অন্যতম কারণ মাদক নিয়ন্ত্রণ না হওয়া। দেখা গেছে, মাদকসেবীরাই মূলত ছিনতাইয়ে জড়িত। তাদের যেকোনো মূল্যে মাদকের পথ থেকে সরিয়ে আনতে হবে। শহরে  বেকারত্ব দিন দিন বাড়ছে। আর বেকার জনগোষ্ঠীর একটি অংশ হতাশা আর দারিদ্র্যের চাপে মাদকে ঝুঁকছে। এ জন্য শহরে অন্যান্য খাতে উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বেকারত্ব দূরীকরণে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সে লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম হাতে নিতে হবে।

শহরে ছিনতাইয়ের আরেকটি কারণ হলো অন্ধকার পথঘাট। সড়কের যেসব স্থানে আলোর ব্যবস্থা নেই, সন্ধ্যা নামার পর থেকেই কিছুটা অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে, সেসব স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে ছিনতাইকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করাও সহজ হবে।

ছিনতাই রোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা আরো বাড়াতে হবে। বিশেষ করে ছিনতাই প্রতিরোধে আলাদা টহল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনে কমিউনিটি পুলিশকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পৃথক ইউনিট গড়ে তুলতে হবে। এই ইউনিটের সদস্যরা শুধু নগরে ছিনতাই রোধেই তৎপর থাকবে। তাহলেই শহরের এই বেপরোয়া ছিনতাই দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে। এ সবকিছু আমলে না নিয়ে শুধু উন্নয়ন দিয়ে রাজশাহী শহরের ছিনতাই রোধ করা সম্ভব নয়। 

লেখক : প্রধান প্রকৌশলী, রাজশাহী সিটি করপোরেশন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা