kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাদানের উদ্যোগ

বাংলাদেশকে স্বাগত জানাল অ্যামনেস্টি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশকে স্বাগত জানাল অ্যামনেস্টি

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়ায় বাংলাদেশকে স্বাগত জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য মিয়ানমারের ভাষায় শিক্ষা কার্যক্রম (কারিকুলাম) তৈরি করবে ইউনিসেফ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর এ ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেছে অ্যামনেস্টি।

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারে জাতিগত নিধনযজ্ঞের মুখে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। বাদ যায়নি শিশুরাও। গত আড়াই বছর ধরে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় তারা।

অ্যামনেস্টির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্থাটিসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলো বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসরত প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা শিশুকে মানসম্মত শিক্ষার অধিকার ভোগের সুযোগ করে দিতে প্রচার চালিয়ে আসছিল। অন্যথায় রোহিঙ্গারা ‘একটি হারানো প্রজন্মের’ মুখোমুখি হবে বলেও সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করেছিল মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাউথ এশিয়া ক্যাম্পেইনার সাদ হাম্মাদি বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যন্ত ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি, যা শিশুদের স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ এবং তাদের ভবিষ্যৎ স্বপ্নের পেছনে দৌড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই দুটি শিক্ষাবর্ষ হারিয়েছে। শ্রেণিকক্ষের বাইরে তারা আর কোনো সময় নষ্ট করতে পারে না।’

এর আগে গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রোহিঙ্গা শিশুদের পড়াশোনার বিষয়ে কথা বলেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষা কারিকুলাম তৈরির জন্য ইউনিসেফকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তারা এ বছরই তাদের পাইলট প্রকল্প শুরু করবে। এর অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গ্রেড ৬ থেকে ৯-এর শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হবে। এখানে শুধু শিক্ষাই দেওয়া হবে না, একটি নির্দিষ্ট বয়সের রোহিঙ্গাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। আমরা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের ভাষায় শিক্ষা দেব, যাতে করে তারা নিজের দেশে ফেরত গেলে উপকার পায়।’ জাতিসংঘের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের (জেআরপি) অধীনে প্রথমে ১০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুকে শিক্ষাদানের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা