kalerkantho

শনিবার । ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বসুন্ধরা আবাসিকে ৭০০ প্লটের লোকেশন বুঝিয়ে দেওয়া হলো

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বসুন্ধরা আবাসিকে ৭০০ প্লটের লোকেশন বুঝিয়ে দেওয়া হলো

বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্প ফেজ-চার, ব্লক কিউয়ের ৭০০ প্লটের লোকেশন বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত বাছাই পর্ব ২০২০ অনুষ্ঠানে প্লটের মালিক ও তাঁদের প্রতিনিধিদের কাছে প্লটের লোকেশন বুঝিয়ে দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ। 

বসুন্ধরা গ্রুপের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে চলেছে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাগরিক জীবনের সব সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। যেসব প্লট বিক্রি করা হয়েছে তার সঠিক লোকেশন প্লটের মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ চলছে। মালিকরা প্লটের লোকেশন বুঝে পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।  

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাওহিদুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম শামীম, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক ও হেড অব ডিপার্টমেন্ট (বিক্রয় ও বিপণন) বিদ্যুত কুমার ভৌমিক, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক লিয়াকত হোসেন, বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা আবু তৈয়ব ও ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) তৌহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আবুল কালাম শামীম বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে চলেছে। এ দেশের মানুষের আবাসন সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছে।

বিদ্যুত কুমার ভৌমিক বলেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাগরিক জীবনের সব সুবিধা নিশ্চিত করেই এ এলাকায় প্লট হস্তান্তর করেছে। এখানে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, উন্নত মানের স্কুল-কলেজ, বিক্রয়কেন্দ্রসহ সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিতে পরিকল্পনা করে কাজ করে চলেছে।

এরপর বসুন্ধরা গ্রুপের দায়িত্বশীল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সবার সামনেই লটারি করা হয়। একেকজন প্লটের মালিককে নাম ধরে ডাকা হয়। প্লটের মালিকরা বাক্স থেকে একটি কাগজ তুলে অন্য একটি টেবিলে গিয়ে নিজের প্লট কোন লোকেশনে তা মিলিয়ে নেন। অনুষ্ঠানস্থলে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্লটের ম্যাপ দেওয়া ছিল।

অনুষ্ঠানে প্লটের লোকেশন বুঝে পাওয়া শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নূর মো. রাহমাতুল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা প্লট বুঝে পেয়ে খুশি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা