kalerkantho

বুধবার । ৮ বৈশাখ ১৪২৮। ২১ এপ্রিল ২০২১। ৮ রমজান ১৪৪২

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বললেন

বিধি লঙ্ঘন ঠেকাতে ম্যাজিস্ট্রেটদের কাজ দৃশ্যমান নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিধি লঙ্ঘন ঠেকাতে ম্যাজিস্ট্রেটদের কাজ দৃশ্যমান নয়

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। এই পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থার সংকট নিরসন সম্ভব হবে না। গতকাল সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য তিন নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব ও দুই রিটার্নিং অফিসারকে লেখা এক আন-অফিশিয়াল (ইউও) নোটে তিনি এ কথা বলেন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার শুরুর আগে থেকেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন ঠেকাতে এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি।

ইউও নোটে তিনি বলেছেন, ‘গত ১৩ জানুয়ারি প্রদত্ত আমার ইউও নোটে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণা বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বন্ধ করার জন্য একটি পরিপত্র জারির অনুরোধ জানিয়েছিলাম। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, নির্বাচনে সমন্বয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন সংসদ সদস্য নির্বাচনী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। আরেকজন সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা শহরে রাজনৈতিক বত্তৃদ্ধতা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ সকল কার্যক্রম সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনাসহ পরিপত্রটি জারির আবশ্যকতা রয়েছে বলে মনে করি।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২০ জানুয়ারি সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছে, যার শিরোনাম ‘ফিরে দেখা ২০১৯ : মশক নিয়ন্ত্রণ’। এই বিজ্ঞাপনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিগত বছরে মশক নিয়ন্ত্রণের নানা প্রকার ফিরিস্তি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞাপনটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সদ্যোবিদায়ি মেয়রের পক্ষে তাঁর সাফল্যের প্রচারণা ছাড়া আর কিছু নয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এই প্রচারণার জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদত হোসেন চৌধুরী, ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর, উত্তরের রিটার্নিং অফিসার আবুল কাসেম এবং দক্ষিণের রিটার্নিং অফিসার আবদুল বাতেনকে ইউও নোটটি পাঠানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা