kalerkantho

রবিবার  । ১৫ চৈত্র ১৪২৬। ২৯ মার্চ ২০২০। ৩ শাবান ১৪৪১

সবিশেষ

মানবদেহের তাপমাত্রা কমেছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানবদেহের তাপমাত্রা কমেছে

মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা উত্তরোত্তর কমে যাচ্ছে। সার্ধশতকেরও বেশি সময় ধরে দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা যা ছিল, সেই উনিশ শতকের উষ্ণতা আর ধরে রাখা যায়নি। এ সময়ের মধ্যে তাপমাত্রা কমে গেছে ১ ডিগ্রি ফারেনহাইটেরও বেশি। ফলে জ্বর মাপার সময় থার্মোমিটারে যে তাপমাত্রাকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়, তা এখন অস্বাভাবিক! গত ২০০ বছরে সেই স্বাভাবিকতা নেমে পৌঁছেছে ৯৭.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটে। কমেছে নারীর শরীরের তাপমাত্রাও। নারীর শরীরের গড় স্বাভাবিক তাপমাত্রা এখন ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এসংক্রান্ত গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘ইলাইফ’-এর সাম্প্রতিক সংখ্যায়।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনের অধ্যাপক অনুপম মাজি বলেন, ‘আমাদের দেহের গড় স্বাভাবিক তাপমাত্রার এই অবনমন হঠাৎ হয়নি। তা ধাপে ধাপে  নেমেছে, ধারাবাহিকভাবে। সেই ধারাবাহিকতায় কোনো ব্যতিক্রম ঘটতে দেখিনি আমরা। এটা একটি অভূতপূর্ব পর্যবেক্ষণ।’

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি এক দশকে মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে ০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ০.২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে গত দুই দশকে প্রায় ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমে গেছে মানুষের দেহে।

কোন কোন কারণে এই তাপমাত্রা কমছে শরীরে? মেডিসিনের অধ্যাপক জুলি পারসোনেটের দাবি, একাধিক ফ্যাক্টর কাজ করছে এই তাপমাত্রা কমে যাওয়ার নেপথ্যে। এক লাখ ৯০ হাজার জনের কাছ থেকে পাওয়া ছয় লাখ ৭৭ হাজারটি তাপমাত্রার রিডিং দেখে তাঁর ধারণা, জীবনযাপনের ধরন এই তাপমাত্রাবদলের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছে। এ ছাড়া মানুষের ক্রামগত ওজন ও দৈর্ঘ্যের তারতম্য ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। পারসোনেট বলছেন, বেশ কয়েকটি রোগ যেমন টিবি, সিফিলিসের মতো রোগ দেহের তাপমাত্রা কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে। সূত্র : আনন্দবাজার, ওয়ান ইন্ডিয়া।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা