kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা

হুয়াওয়ের ৫জি প্রদর্শন ঘিরে দর্শনার্থীর ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হুয়াওয়ের ৫জি প্রদর্শন ঘিরে দর্শনার্থীর ভিড়

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার দ্বিতীয় দিনে গতকাল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে হুয়াওয়ের প্যাভিলিয়নে দর্শকের ভিড়। ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা’র দ্বিতীয় দিনে গতকাল শুক্রবার মেলাঙ্গনে ছিল দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভিড়। আর এর মূল আকর্ষণে ছিল মেলার টাইটেনিয়াম সহযোগী হুয়াওয়ের ৫-জি প্রদর্শন।

মেলার প্রথম উদ্বোধনী দিনে গত বৃহস্পতিবারও মেলায় বিপুলসংখ্যক দর্শকের আগমন ঘটে। সেদিনও আগত সবার আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল হুয়াওয়ের প্যাভিলিয়ন। আর গতকাল সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় মেলায় আগত মানুষের সংখ্যাও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। আর তাদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে তরুণদের সংখ্যাই ছিল বেশি। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়া নানা বয়সী শিক্ষার্থীরা দলে দলে এসে বিনা মূল্যে ৫-জি পরীক্ষার অভিজ্ঞতা নেয়। রিয়েল টাইমে ৫-জির বিস্ময়কর গতিতে তারা মুগ্ধ ও উচ্ছ্বসিত।

দর্শনার্থীরা গতকাল ৫-জি ব্যবহারে সেকেন্ডে ১.৬ জিবি গতিতে ডেটা ট্রান্সফারের অভিজ্ঞতা অর্জন করে। অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহানার  উচ্ছ্বাসভরা মন্তব্য, ‘অবিশ্বাস্য! আমি তো রীতিমতো মুগ্ধ।’ রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়মান আরিফ বলেন, ‘এক কথায় বলতে গেলে, ৫-জির স্পিড দেখে আমি বিস্মিত, শিহরিত। ইন্টারনেটে এমন স্পিড যে পাওয়া যেতে পারে, নিজ চোখে না দেখলে আমি বিশ্বাসই করতাম না।’

হুয়াওয়ের কর্মকর্তারা জানান, ৫-জির উন্নয়ন ও গবেষণায় হুয়াওয়ের দীর্ঘদিনের অবিরাম প্রচেষ্টার ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে। ৫-জির অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও গবেষণায় ১০ বছর ধরে কাজ করছে হুয়াওয়ে। আর এই খাতে ইতিমধ্যে ব্যয় করেছে চার বিলিয়ন ডলার।

দর্শনার্থীরা ৫-জির অভিজ্ঞতা নেওয়া ছাড়াও মেলায় রিয়েল টাইম ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) উপভোগ করছে। ৫-জি ভিআর চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা নিজেদের আবিষ্কার করছে বরফের ওপর স্কি-রত অবস্থায়।

হুয়াওয়ে প্যাভেলিয়নে শিশু-কিশোরদের ভিড় বেশি হওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে ‘হিউম্যানয়েড রোবট’। বিশেষভাবে নির্মিত রোবটটিকে যে কেউ নিজ হাতের ইশারায় ফুটবল খেলাতে পারে।  এতে ভীষণভাবে উচ্ছ্বসিত শিশু শ্রেণিতে পড়া এরিক আহসান। তার বাবা এনামুল আহসান বললেন, ‘রোবট ওর ভীষণ পছন্দের। তাই এ ধরনের একটি আয়োজনের কথা শুনে ছেলেকে নিয়ে এসেছি। ও ভীষণ উপভোগ করছে। বিনা মূল্যে এ রকম চমৎকার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেওয়ায় হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ।’

উন্নত প্রযুক্তি এবং ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটির সরাসরি অভিজ্ঞতা দিতেই হুয়াওয়ের এই আয়োজন বলে জানিয়েছেন হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর নাজমুল হাসান। 

মেলায় হুয়াওয়ের ৫-জি স্মার্টফোনের অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। পাশাপাশি বাজারে বর্তমান হুয়াওয়ের ফোনগুলো কেনারও সুযোগ রয়েছে এখানে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই মেলার শেষ দিন আজ শনিবার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা