kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ জানুয়ারি ২০২০। ১০ মাঘ ১৪২৬। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন

ভোটের আমেজ শুরু হয়ে গেছে

ডিএনসিসি ওয়ার্ড ৫

লায়েকুজ্জামান   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভোটের আমেজ শুরু হয়ে গেছে

ভোটের আমেজ শুরু হয়ে গেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। আগামী নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের রয়েছে একাধিক জোরালো প্রার্থী। তাঁরা দলের সমর্থন পেতে মাঠে নেমেছেন। তাঁদের বেশির ভাগই এলাকায় অফিস খুলে প্রচার শুরু করেছেন। আর বিএনপির একজন নেতা ও জাতীয় পার্টির একজন নেতা অল্পস্বল্প প্রচার চালাচ্ছেন।

আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন পেতে মাঠে রয়েছেন চার প্রার্থী। তাঁরা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর পল্লবী থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুর রউফ নান্নু, পল্লবী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সরোয়ার আলম, ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান ও পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা। বিএনপির সমর্থন চান পল্লবী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বুলুবল মল্লিক এবং জাতীয় পার্টির সমর্থনপ্রত্যাশী পল্লবী থানা কমিটির প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেন।

মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’, ‘ডি’, ‘ই’, ‘এফ’ ব্লক, সাংবাদিক আবাসিক এলাকা, বাউনিয়া বাঁধ ও পলাশনগর এলাকা নিয়ে গঠিত ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ৯৮ হাজার।

কাউন্সিলর আবদুর রউফ নান্নু বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করলেও এলাকার জলাবদ্ধতা ও মাদক সমস্যা দূর করতে পারেননি, উচ্ছেদ করতে পারেননি ফুটপাতের দোকান। দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে গর্ত ও কাদায় ভরা ১১ নম্বর বাজারের সড়কটি মেরামত না হওয়ায় নিত্য দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার মানুষকে। আবদুর রউফ নান্নু বলেন, ‘এলাকায় অনেক উন্নয়নকাজ করেছি। আগামী দিনেও দল আমাকে সমর্থন দেবে বলে আশা করি।’ ওয়ার্ডে নির্বাচনী আমেজ গড়ে তুলেছেন পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি জুয়েল রানা। এরই মধ্যে তিনি বিভিন্ন মহল্লায় নিজস্ব কার্যালয় খুলে প্রচার শুরু করেছেন। ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে যাচ্ছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দরিদ্র মানুষকে সহযোগিতা করছেন। এলাকার বেশির ভাগ যুবক তাঁর পক্ষে মাঠে নেমেছে। ওয়ার্ডে জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি। জুয়েল রানা বলেন, ‘ওয়ার্ড নানা সমস্যায় জর্জরিত। জলাবদ্ধতা, মাদকের বিস্তার, ফুটপাতে দোকান, খানাখন্দের সড়ক—এ সমস্যাগুলো আমি কয়েক বছর ধরে চিহ্নিত করে সমাধানের একটি পরিকল্পনা করেছি। নির্বাচিত হলে সমস্যার সমাধান করব। আশাবাদী, দল আমাকে সমর্থন দেবে।’

পল্লবী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সরোয়ার আলম নির্ভেজাল মানুষ। দল সমর্থন দিলে তিনি নির্বাচন করবেন বলে কালের কণ্ঠকে জানান।

দলীয় সমর্থনের আরেক জোরালো দাবিদার ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আশা করি, জনপ্রিয়তা যাচাই করে দল আমাকে সমর্থন দেবে।’

পল্লবী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বুলবুল মল্লিক বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আমিই জয়লাভ করব।’

জাতীয় পার্টির পল্লবী থানা কমিটির প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত। আশা করি, এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দেবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা