kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় চার্জশিট দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় চার্জশিট দাখিল

ক্যাসিনো সম্রাট ও যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে এবার মাদকের মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার র‌্যাব-১-এর উপপরিদর্শক আবদুল হালিম ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে সম্রাটের সহযোগী এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়েছে। আগামী ১৫ ডিসেম্বর এই মামলার ধার্য তারিখ।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় অভিযোগপত্র দেয় র‌্যাব। ওই মামলাটি মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য স্থানান্তরিত হয়েছে।

আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) নিজাম উদ্দিন ফকির কালের কণ্ঠকে বলেন, সম্রাট ও আরমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় চার্জশিট দখিল হয়েছে।

চার্জশিটে সম্রাটের হেফাজত থেকে অস্ত্র, মাদকদ্রব্য, বৈদ্যুতিক শকড যন্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে আলামত কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। চার্জশিটে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, সরেজমিনে, প্রকাশ্য ও গোপনে ব্যাপক তদন্ত করেন তিনি। তদন্তে সাক্ষ্য-প্রমাণে প্রাপ্ত তথ্যাদির আলোকে, আলামতদৃষ্টে, ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় আসামি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও এনামুল হক আরমানের হেফাজত থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই চার্জশিট দাখিল করা হলো।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর

পর সম্রাটের নাম আলোচিত হয়। তাঁকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। পরে গত ৬ অক্টোবর ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও তাঁর সহযোগী আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরমান মদ্যপ অবস্থায় থাকায় তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কুমিল্লা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সম্রাটকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ওই দিনই সন্ধ্যায় সম্রাটের কার্যালয় রাজধানীর কাকরাইলের ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে অভিযান চালায় র‌্যাব। ভবনটির চারতলায় সম্রাটের বিশ্রাম কক্ষ থেকে এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব। সম্রাটের কক্ষে একটি লাগেজ থেকে ১৯ বোতল মদও উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও পাঁচ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়।

ওই দিনই সন্ধ্যায় র‌্যাব-১-এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগেও আরেকটি মামলা হয় সম্রাটের বিরুদ্ধে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা