kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

আইভির হকার উচ্ছেদকালে সংঘর্ষ

আদালতে ৯ জনের নামে নাসিকের মামলা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আদালতে ৯ জনের নামে নাসিকের মামলা

নারায়ণগঞ্জে হকার উচ্ছেদ নিয়ে ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারী ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ঘটনার সরকারের ৩ মন্ত্রনালয়সহ ৭জনকে বিবাদি করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন নগরীর মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী। ওই রিট আবেদেনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ১১ নভেম্বর দেয়া এক রুল নিশিতে সব বিবাদীদের কারণ দর্শানোর পাশাপাশি মেয়র আইভীর অভিযোগ আমলে নিতে নারায়ণগঞ্জ প্রধান বিচারিক হাকিমকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী গত বুধবার নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ফাহমিদা খাতুনের আদালতে একটি মামলার আবেদন করা হলে আদালত সেটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।

মামলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৯ নেতার নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাত ১ হাজার জনকে। ঘটনার ইন্ধনদাতা হিসেবে এমপি শামীম ওসমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আইন বিষয়ক কর্মকর্তা জিএম এ সাত্তার।

মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে তারা হলেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জুয়েল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সেক্রেটারী মিজানুর রহমান সুজন, যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব,  শহর যুবলীগের নেতা নিয়াজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা নাছির উদ্দিন ও চঞ্চল মাহমুদ।

নারায়ণগঞ্জ আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর (পরিদর্শক) আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, আদালত বাদির আর্জি গ্রহণ করে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে নির্দেশনা অনুযায়ী ৯ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ তদন্তও শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারী বিকালে মেয়র আইভী সমর্থকদের নিয়ে ফুটপাতে হকার উচ্ছেদ শুরু করলে হকারদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর মেয়র আইভী সংবাদ সম্মেলন করে দাবী করেন, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই ওই হামলা হয়। ওই সময় তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রত্যাহার দাবী করেন।

আদালতে মামলার আবেদনে বলা হয়েছিল, ঘটনার চারদিন পর ২২ জানুয়ারী সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় এজাহার দাখিল করা হয়। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ মামলা হিসেবে গ্রহণ না করে জিডি হিসেবে সেটি রুজু করে। পরে সেটি জানা যায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা