kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

এমআরএ সনদ পেল বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এমআরএ সনদ পেল বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার সনদ পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের অলাভজনক প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন। গতকাল ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিমুল হাইয়ের হাতে সনদ তুলে দেন ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অমলেন্দু মুখার্জী। ছবি : কালের কণ্ঠ

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার সনদ পেয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের অলাভজনক প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন। সুবিধাবঞ্চিতদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রণোদনা ও ঋণ সহায়তা দেওয়ার জন্য গতকাল বুধবার এই সনদ দেয় দেশের ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমআরএ।

রাজধানীর মগবাজারে এমআরএ সম্মেলনকক্ষে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিমুল হাইয়ের হাতে সনদ তুলে দেন এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অমলেন্দু মুখার্জী।

অনুষ্ঠানে নাসিমুল হাই বলেন, ‘আমরা দেশে নতুন ধারা প্রবর্তন করেছি। একেবারে তৃণমূল নারীদের ঋণ বিতরণ করি। বসুন্ধরা গ্রুপ এখান থেকে তহবিল নেবে না। বসুন্ধরা গ্রুপ মনে করে, সমাজের প্রতি তাদের কিছু দায়িত্ব আছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা কার্যক্রম চালিয়ে যাব। বসুন্ধরা গ্রুপ নিয়মিতভাবে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনে অর্থায়ন করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। তহবিল ফেরত নেওয়ার মানসিকতাই বসুন্ধরা গ্রুপের নেই। কারণ আমাদের কোনো গ্রাহক ফাউন্ডেশনের সুবিধা পায় না।’

নাসিমুল হাই বলেন, ‘অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আমাদের কিছু পার্থক্য রয়েছে। আমাদের কনসেপ্ট হলো, সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে আমরা কোনো সুদ নিই না। সার্ভিস চার্জ ছাড়া কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। সনদ পাওয়া আমাদের জন্য সোনালি মুুহূর্ত। এর মাধ্যমে আমরা মূলধারার সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে অমলেন্দু মুখার্জী বলেন, ‘আজ যারা সনদ পেল, তারা যদি নিজেদের প্রতিষ্ঠানের মালিক ভাবে তাহলে ভুল হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক ঋণগ্রহীতারা। আপনারা প্রতিনিধি হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। লাভ হিসেবে এক টাকাও পকেটে নেওয়ার সুযোগ নেই। আপনারা যে শ্রম দিচ্ছেন, তার জন্য একটি নির্ধারিত পরিমাণ বেতন নিতে পারবেন।’

অমলেন্দু মুখার্জী বলেন, ‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য গ্রাহকসংখ্যা বাড়াতে গিয়ে অর্থপাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। গ্রাহক সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেবেন। এমআরএর অনুমোদন ছাড়া মেয়াদি ও স্বেচ্ছা আমানত সংগ্রহ করবেন না। এতে যেকোনো সময় সনদ বাতিল হয়ে যাবে।’

উল্লেখ্য, বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন ২০০৫ সাল থেকে দেশব্যাপী সুদমুক্ত ঋণ বিতরণ, ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক, শিক্ষা ও সংস্কৃতি উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি শীতবস্ত্র বিতরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিয়ে আসছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা