kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

গানে গানে গুণীজন সংবর্ধনা

মনের রঙে রাঙালেন খুরশীদ আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মনের রঙে রাঙালেন খুরশীদ আলম

সিটি ব্যাংক এনএর পক্ষ থেকে গতকাল কণ্ঠশিল্পী মো. খুরশীদ আলমকে সম্মাননা জানানো হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

সিটি ব্যাংক এনএর ‘গানে গানে গুণীজন সংবর্ধনা’ পেলেন বাংলা গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মো. খুরশীদ আলম। দীর্ঘ পাঁচ দশক বাংলা আধুনিক ও চলচ্চিত্রে গান গেয়ে তিনি শ্রোতাদের মনে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তাঁর ‘মাগো মা, ওগো মা, আমারে বানাইলি তুই দিওয়ানা’, ‘চুমকি চলেছে একা পথে’, ‘মনেরও রঙে রাঙাবো’সহ শ্রোতাপ্রিয় অনেক গানের এ শিল্পীকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেলে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, পোট্রেট ও সম্মানী চেক তুলে দেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান মুস্তাফা মনোয়ার এবং সিটি ব্যাংক এনএর সিটি কান্ট্রি অফিসার এন রাজাশেকারান।

খুরশীদ আলমকে শুভাশিস জানিয়ে মুস্তফা মনোয়ার বলেন, সুন্দর গান একটা অনুুভূতি শুধুু নয়, সেটা আত্মা ও মনের খোরাক। তুমি-আমি ধরনের গান বেশিদিন চলে না। গান এমন হতে হবে, সেটা যেন মানুষের মনে গেঁথে থাকে। শিল্পী খুুরশীদ আলম সেই ধরনের গান গেয়েই আজকের পর্যায়ে এসেছেন।

এন রাজাশেকারান বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী খুরশীদ আলমকে সম্মানিত করতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। তাঁর কণ্ঠ থেকে যে শক্তি ও উৎসাহ পাওয়া যায়, তা বিশ্বজুড়ে বাঙালি সংগীতপ্রেমীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক।’

সংবর্ধনাপ্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে খুরশীদ আলম বলেন, ‘একজন শিল্পীর জন্য তাঁর কাজের স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমার কাছে ভক্তদের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় পুরস্কার। এটার মাধ্যমে অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়। আজ যে সম্মাননা পেলাম এর একটা অন্য রকম গুরুত্ব আছে। আমি চাইব সিটি ব্যাংক আরো অনেককে এ ধরনের সম্মাননা জানাক।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিটি ব্যাংক এনএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শামস জামান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন গীতিকার রফিকুজ্জামান।

ষাটের দশক থেকে বাংলাদেশের সংগীত জগতে পরিচিত নাম মো. খুরশীদ আলম। জন্ম ১৯৪৬ সালে জয়পুরহাটে হলেও ১৯৪৯ সালে ঢাকায় চলে আসেন এবং ঢাকাতেই তাঁর বেড়ে ওঠা। চাচা এবং স্কুলের অনুপ্রেরণা থেকেই গান গাওয়া শুরু খুরশীদ আলমের। নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গানের অনুশীলন করে গেছেন। চলচ্চিত্রে ১৯৬৭ সালে প্রথম ‘আগন্তুক’ ছবিতে প্লেব্যাক

করেন তিনি। ফিল্মি কণ্ঠ ছিল বলেই তাঁর বেশির ভাগ গান চলচ্চিত্রে গাওয়া। আর এখন পর্যন্ত দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৪৫০-এরও বেশি চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন এ শিল্পী। অনুষ্ঠানের শেষ অংশে গান গেয়ে শোনান খুরশীদ আলম ও মুহিন খান।

২০০৪ সাল থেকে নিয়মিতভাবে গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে প্রয়াত নিলুফার ইয়াসমিন, ফরিদা পারভীন, প্রয়াত ফিরোজা বেগম, সানজিদা খাতুন, প্রয়াত সোহরাব হোসেন, ফেরদৌসী রহমান, সাবিনা ইয়াসমিন, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, প্রয়াত সুবীর নন্দী, প্রয়াত শাহনাজ রহমতউল্লাহ, সৈয়দ আব্দুল হাদী, মিতালী মুখার্জি, রুনা লায়লা, ফেরদৌস ওয়াহিদ এবং আলাউদ্দিন আলীর মতো গুণী শিল্পীকে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা