kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

কিডনিসহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন

হাইকোর্টে রায় ৫ ডিসেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হাইকোর্টে রায় ৫ ডিসেম্বর

অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন করার ২০ বছর পর এই আইন কার্যকর করতে সরকার বিধিমালা জারি করেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে করা এই বিধিমালা গতকাল হাইকোর্টে দাখিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এদিকে কিডনি প্রতিস্থাপনসংক্রান্ত বিষয়সহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনের কয়েকটি ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার। আদালত আগামী ৫ ডিসেম্বর রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন। এ রায়ের মধ্য দিয়ে নিকটাত্মীয় ছাড়াও অন্য কারো কাছ থেকে কিডনি নিয়ে তা প্রতিস্থাপন করা যাবে কি না সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন। ফাতেমা জোহরা নামের এক নারীর করা রিট আবেদনে ২০১৭ সালের ২৪ আগস্ট জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। আদালতে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন ও মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খালিদ সাইফুল্লাহ।

মানবদেহে কিডনি প্রতিস্থাপন নিয়ে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ২৪ আগস্ট এক আদেশে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন-১৯৯৯ সালের তিনটি (২গ, ৩ ও ৬) ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। জনৈকা ফাতেমা জোহরার করা এক রিট আবেদনে এ রুল জারি করা হয়। ফাতেমা জোহরা ২০১৫ সালে তাঁর মেয়ে ফাহমিদাকে একটি কিডনি দান করেন। এর পরও মেয়ের কিডনি অকেজো হয়ে গেছে। এ অবস্থায় কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য দাতা পেলেও আইনগত বাধার কারণে মেয়েকে আর কিডনি দিতে না পেরে রিট আবেদন করেন।

এই রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্রোভিসি ও বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির প্রতিবেদন গত ৭ নভেম্বর হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। একই সঙ্গে এদিন কয়েকজন বিশেষজ্ঞ, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও আইনজীবীদের বক্তব্য শোনেন আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করা বিধিমালা দাখিল করে।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা