kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

কিশোরদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সূচকে অগ্রগতি বাংলাদেশের

তৌফিক মারুফ   

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কিশোরদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সূচকে অগ্রগতি বাংলাদেশের

কিশোরদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সূচকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ সর্বোচ্চ অগ্রগতি অর্জন করেছে। আগের তুলনায় ১০ শতাংশ সক্ষমতা বেড়েছে দেশের কিশোরদের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আগে বাংলাদেশের ৭৩ শতাংশ কিশোর দিনে একটানা এক ঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারত না। এখন সেটা নেমে এসেছে ৬৩ শতাংশে।

১১ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোরদের (মেয়ে ও ছেলে) শারীরিক সক্ষমতা সূচক বলতে দৈনিক একটানা এক ঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারাকে বোঝানো হয়েছে।

বিশ্বের ১৪৬টি দেশের কিশোরদের শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন এই গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। গত রাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর থেকে ই-মেইলে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১৪৬টি দেশের ১৬ লাখ কিশোর-কিশোরীর ওপর গবেষণা পরিচালনা করে দেখা গেছে, মেয়েদের ক্ষেত্রে গড়ে ৮৫ শতাংশ দিনে এক ঘণ্টা শারীরিক পরিশ্রম করতে অক্ষম। আর ছেলেদের ক্ষেত্রে এই হার ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ গড়ে ৮০ শতাংশের বেশি কিশোরই অক্ষম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এর মধ্যে কয়েকটি দেশ কিছু কিছু অগ্রগতি সাধন করেছে। যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান সবার ওপরে।

কিশোরদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সূচকে বাংলাদেশের পর সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের অবস্থান। তাদের অগ্রগতি ৮ শতাংশ অর্থাৎ ওই দুটি দেশের কিশোরদের শারীরিক অক্ষমতার হার ৭৮ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ডে ৭১ থেকে ৬৪ শতাংশ, বেনিনে ৭৯ থেকে ৭১ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৭১ থেকে ৬৪ শতাংশে নেমে আসছে।

শারীরিক সক্ষমতার এই নিম্ন হার ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোরদের জন্য খুবই ভয়ানক বিপদ ডেকে আনছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হুঁশিয়ার করে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য রাষ্ট্রগুলোকে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ধরনের সুরক্ষামূলক কার্যক্রমের তাগিদ দিয়েছে সংস্থাটি। যেখানে শারীরিক পরিশ্রমের জন্য শিশুকাল থেকেই নানা ধরনের সচেতনতা ও চর্চা বাড়ানোর জন্য বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খেলাধুলার মাত্রা আরো বাড়াতে হবে, এ জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

প্রতিবেদনে জোরালোভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের অবস্থা বেশি খারাপ। মেয়েদের শারীরিক কর্মকাণ্ডের মাত্রা আরো কম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা