kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

কালের কণ্ঠকে পোর্টসমাউথ সিটির নেতা

সম্ভাবনার কারণেই গন্তব্য বাংলাদেশ

যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথের সিস্টার সিটি হচ্ছে সিলেট

মেহেদী হাসান   

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সম্ভাবনার কারণেই গন্তব্য বাংলাদেশ

সম্ভাবনা ও ইতিবাচক বার্তার কারণেই বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে এবং বিনিয়োগ করতে চান যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ সিটির ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। পোর্টসমাউথ সিটি কাউন্সিলের নেতা জেরাল্ড ভার্নন-জ্যাকসন গতকাল শনিবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানান।

ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে বেছে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে জেরাল্ড ভার্নন-জ্যাকসন বলেন, পোর্টসমাউথে অত্যন্ত শক্তিশালী বাংলাদেশি সম্প্রদায় আছে। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়াতে চায়, যাতে বাংলাদেশ ও পোর্টসমাউথ—উভয়ের জনগণই উপকৃত হয়। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অত্যন্ত ইতিবাচক সম্ভাবনা আছে। এখানে তথ্য-প্রযুক্তিসহ অনেক ব্রিটিশ কম্পানি কাজ করছে। আমাদের অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। এই যোগাযোগ আমরা আরো বাড়াতে চাই। এ দেশে ব্রিটিশ কম্পানিগুলোর কাজের অনেক সুযোগ আছে।’

পোর্টসমাউথ সিটি কাউন্সিলের নেতা বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্য অবিশ্বাস্য। এ দেশের অর্থনৈতিক রেকর্ড বেশ ভালো। ব্রিটিশ কম্পানিগুলো বাংলাদেশের উন্নতি-অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিঃসন্দেহে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য স্থিতিশীলতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। তবে তিনি মনে করেন, যখন স্থিতিশীলতা থাকবে তখন ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্ভাবনা বাড়বে। এটি বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্যসহ সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

জেরাল্ড ভার্নন-জ্যাকসনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গত শুক্রবার আট দিনের বাংলাদেশ সফর শুরু করেছে। ওই সফরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘পোর্টসমাউথ সিটি কাউন্সিল বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা মিশন : বাংলাদেশ’।

জেরাল্ড ভার্নন-জ্যাকসন জানান, প্রতিনিধিদলটি আজ রবিবার সিলেট যাচ্ছে। সিলেট মহানগরীর সঙ্গে পোর্টসমাউথের একটি চুক্তি সই হবে। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ সিটির ‘সিস্টার সিটি’ হবে সিলেট মহানগর। ফলে আগামী দিনগুলোতে পোর্টসমাউথ ও সিলেটের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়বে।

পোর্টসমাউথ সিটির এই প্রতিনিধিদলে সিটি কাউন্সিলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যবস্থাপক মার্ক পেমব্লেটন, পোরটিকোর অপারেশন পরিচালক ও মহাব্যবস্থাপক স্টিফেন উইলিয়ামস, নিউ ফরেস্ট স্পাইস লিমিটেডের সহস্বত্বাধিকারী সমুজ আলী, আইবিডি পার্টনারশিপের প্রধান নির্বাহী রাজা আলী, টিসিএল গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মিয়া, সাইবার ও ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান রেথিওনের ব্যবস্থাপনা পরামর্শক রাজ বাদিয়ানিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা আছেন।

জেরাল্ড ভার্নন-জ্যাকসন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কম্পানিগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা তাঁদের সফরের উদ্দেশ্য। তাঁরা চান দুই দেশেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি হোক, উভয় পক্ষের লাভ হোক। সিলেটের সঙ্গে পোর্টসমাউথের সিস্টার সিটি বা টুইন সিটি চুক্তি সই হলে দুই নগরের বাসিন্দারাই উপকৃত হবে। শিক্ষা, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই নগরীর মধ্যে আলাদাভাবে সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা