kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’ ব্যবহারে লাভবান কৃষকরা

বাকৃবি প্রতিনিধি   

১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’ ব্যবহারে লাভবান কৃষকরা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ উদ্ভাবিত ‘মাটি পরীক্ষণ যন্ত্র’ বা ‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’ ব্যবহার করে লাভবান হয়েছে কৃষকরা। গতকাল শুক্রবার ময়মনসিংহের সুতিয়াখালী গ্রামে ‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’ ব্যবহার করে আমন ধানে সারের মাত্রা নির্ধারণ এবং এর সুফল সম্পর্কে কৃষক ও গবেষকদের এক মতবিনিময়সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় বক্তারা বলেন, দেশের কৃষকরা মাটিতে সারের চাহিদা না জেনেই সার প্রয়োগ করে থাকে। এতে মাটির উর্বরতা যেমন কমে যায়, তেমনি ধানের ফলনও আশানুরূপ হয় না। কয়েক বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার দাতা সংস্থা এসিআইএআর এবং বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ধানসহ অন্যান্য ফসলের পরিমিত মাত্রায় সার ব্যবস্থপনার ওপর একটি প্রকল্প (নিউ ম্যান) পরিচালনা করা হয়। প্রকল্পের একটি অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ সদরের সুতিয়াখালী গ্রামের ছয়জন কৃষকের জমিতে পৃথকভাবে ছয়টি পদ্ধতিতে ধান চাষ করা হয়। পরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকদের নিজস্ব চাষ পদ্ধতির চেয়ে অন্যান্য পদ্ধতিতে ফলন ভালো হয়েছে। তবে ‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’ ব্যবহার করে কৃষকরা কম খরচে ও কম সময়ে মাটি পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করে বেশি লাভবান হয়েছে।

মতবিনিময়সভায় প্রকল্পের আওতায় থাকা কৃষক কামরুল হাসান বলেন, “আমরা আগে মাটি পরীক্ষা না করেই সার দিতাম। কিন্তু এবার ‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’ দিয়ে পরীক্ষা করে সার দিয়ে আমরা আগের চেয়ে ফলন ভালো পেয়েছি।”

প্রকল্পের পিআই ও বাকৃবির কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জহির উদ্দিন বলেন, ‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’-এর মাধ্যমে মাটিতে কী পরিমাণ সার দিতে হবে তা খুব সহজেই জানা যায়। কৃষক মাঠে থেকেই এ পরীক্ষা করতে পারবে। ফলে সারের খরচ বাড়লেও ফলন বেশি হওয়ায় লাভ বেশি হবে। এটি ব্যবহার করে আগের চেয়ে বিঘাপ্রতি দুই মণ ফলন বাড়ে।  

মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুত্ফুল হাসান। এ সময় অধ্যাপক ড. মো. জহির উদ্দিন, প্রকল্প সমন্বয়কারী ড. মো এনামুল হক, অধ্যাপক ড. মো. এম আর জাহাঙ্গীর, অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান, ড. মো. আব্দুস সাত্তার, ড. মো. বখতিয়ার হোসেন এবং এলাকার কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা