kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

রাঙ্গার উদ্দেশে কাদের

নূর হোসেনের কটাক্ষকারীকে জনগণ ক্ষমা করবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নূর হোসেনের কটাক্ষকারীকে জনগণ ক্ষমা করবে না

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী নূর হোসেনকে কটাক্ষ করলে জনগণ ক্ষমা করবে না। কেউ বিষাক্ত কটূক্তি করে সীমা লঙ্ঘন করবেন না। একবার মুখ ফসকে গেলে যতই স্যরি বলুন, কাজে আসবে না।’

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

শহীদ নূর হোসেন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার বিতর্কিত মন্তব্যের প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নূর হোসেনকে হত্যার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যার চেষ্টা কারা করেছিল, সেটা জাতি জানে। সেই নূর হোসেনকে অশ্রাব্য ভাষায় কটাক্ষ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদৌলতে অক্সিজেন নিয়ে যারা রাজনীতিতে অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে তারা আজ নেত্রীকে (শেখ হাসিনা) কটাক্ষ করে। কথা মুখ থেকে একবার ফসকে গেলে মুখে আর ফিরে আসে না, যত স্যরি বলুন না কেন। এ ধরনের মন্তব্য, কটাক্ষ আমাদের রাজনৈতিক পরিবেশকে নষ্ট করছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শেখ হাসিনা শুধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নন, শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি বহু বছর ধরে এ দেশের জনপ্রিয় নেতা। এ দেশের গণতন্ত্র বিকাশের অগ্রদূত। এ দেশের মানুষ তাঁকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসে। তাঁকে কটাক্ষ করলে বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করা হবে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না।’

বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখনো বলা হয়, মুজিব গেছে যেই পথে, হাসিনা যাবে সেই পথে। এই রকম ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য বিএনপি দিয়ে যাচ্ছে। আমি বলে দিতে চাই, আমরা অনেক ধৈর্য ধরেছি, আর নয়।’

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে যে কজনের নামই আসুক না কেন, সমঝোতার মাধ্যমে একজনের করে নাম আমাদের দিতে হবে। তা না হলে প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন, তাই মেনে নিতে হবে।’

সম্মেলন উদ্বোধনের আগেই সভাপতি প্রার্থী ফরিদুর রহমান খান ইরান ও ইসহাক মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ির কারণে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। পরে জ্যেষ্ঠ নেতাদের ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা