kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দিনাজপুরে আ. লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

১১ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে আরো দুই নেতাকে হ তালিকায় রয়েছেন ৬ পুলিশ কর্মকর্তা

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দিনাজপুরে আ. লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই অভিযোগে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু ইবনে রজবকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় দুর্নীতি দমন কমিশন দিনাজপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে প্রথমে হাজির হন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, সাড়ে ১১টায় হাজির হন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু ইবনে রজব। দুদকের তিন ঘণ্টা

জিঞ্জাসাবাদ শেষে তাঁরা দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসেন।

দুদক জানায়, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অন্যান্য দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর একই অভিযোগে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান জামান ও দিনাজপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবু তৈয়ব আলী দুলালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই তালিকায় রয়েছেন ছয় পুলিশ কর্মকর্তাও।

দিনাজপুরে এই চার নেতা ও ছয় পুলিশ কর্মকর্তার অবৈধ সম্পদ ও অন্যান্য দুর্নীতির অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়। এই ১০ জনের মধ্যে চারজনকে তলবের নোটিশ দেওয়া হয়। শিগগিরই ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকেও তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক।

ওই ছয় পুলিশ কর্মকর্তা হলেন দিনাজপুর কোতোয়ালী থানার সদ্য বদলি হওয়া ওসি রেদওয়ানুর রহিম, দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ জামান আশরাফ, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মনছুর আলী মণ্ডল, নীলফামারী সৈয়দপুর জিআরপি পুলিশের পরিদর্শক রবিউল ইসলাম, গাইবান্ধা সদর থানার ওসি শাহরিয়ার ও দিনাজপুর ট্রাফিক পুলিশের সাবেক পরিদর্শক সাদাকাতুল বারী।

দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হেনা আশিকুর রহমান জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গতকাল দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রয়োজনে তাঁদের আবারও ডাকা হবে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদক কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর জানতে চাইলে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন বলেন, ‘দুদক একটি সরকারি সংস্থা। যেকোনো নাগরিককে তাদের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করা উচিত। তারা কিছু প্রশ্ন করেছে, আমার যেটি জানা ছিল তার উত্তর দিয়েছি। সরকারি নিয়মের মধ্যেই তারা প্রশ্ন করেছে। তাদের আচরণে আমি সন্তুষ্ট।’

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু ইবনে রজব বলেন, ‘প্রশাসনের কর্মকর্তারা আমাকে ডেকেছেন, তাঁদেরকে সহযোগিতা করেছি। আমার ব্যক্তিগত ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন, কাগজপত্র চেয়েছেন। তাঁদের সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। যেসব কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে তাও দাখিল করেছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা