kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সবিশেষ

অলসতায় উপকারও অনেক!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অলসতায় উপকারও অনেক!

মেলবোর্নের অভিনেতা লুচি গ্রান্সবুরি একজন স্বঘোষিত ‘অলস’। অবশ্য এর জন্য তিনি বেশ গর্ববোধ করেন। কিন্তু আপনি যদি কিছুটা অলসপ্রবণ হয়ে থাকেন, এটি নিয়ে হয়তো আপনার মধ্যে কিছুটা অপরাধবোধ কাজ করে। কিন্তু এখন বিষয়টি নিয়ে আপনি নতুন করে চিন্তা করতে পারেন।

লুচির ভাষ্য, ‘অলস হওয়াকে যতটা খারাপ ভাবা হয়, এটি আসলে ততটা খারাপ নয়। অলস মানুষেরা বেশি ক্রেডিট ডিজার্ভ করে।’ মজার বিষয় হলো গবেষকরাও তাঁর তত্ত্বকে সমর্থন দিচ্ছেন।

লুচির দাবি, অলসতাকে প্রায়ই নেতিবাচক আচরণ হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা উচিত। কারণ এটি আপনাকে অগ্রাধিকার নির্ধারণে সহায়তা করে এবং বেশ শক্তির জোগান দেয়। তা ছাড়া কাজ দ্রুত শেষ করতে পথ দেখায়, যাতে করে একই কাজ দ্বিতীয়বার করতে না হয়।

লুচি বলছেন, অনেক মহান উদ্ভাবনের উত্সাহ এসেছে অলসতা থেকেই। যেমন ধরুন টেলিফোন। অনেক পথ হেঁটে হয়তো কারো বাসায় গিয়ে হ্যালো বলতে হতো।

এ ধরনের চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে লুচি একা নন। মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস মনে করেন, কঠিন কাজের জন্য তিনি একজন অলস ব্যক্তিকেই পছন্দ করবেন। কারণ কাজটি সহজে করার পথ তাঁরাই খুঁজে বের করবেন।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাসুদ হোসেইন জানান, অলস হলে সেটি মস্তিষ্ককে পরিশ্রমী করে তোলে। তিনি অলস ও অলস নন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালিয়েছেন। মাসুদ বলেন, ‘আমরা তাদের একটি টেস্ট দিতে বলেছিলাম। ফলাফলে দেখা যায়, অলস মানুষের মস্তিষ্ক বেশি শক্তি খরচ করে। আসলে অলসদের মস্তিষ্ক অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিল। এটা গঠনশৈলীর দিক থেকে নয়, বরং যখন তারা সিদ্ধান্ত নিচ্ছিল তখনকার সক্রিয়তার দিক থেকে।’ সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা