kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

গৃহবধূকে ধর্ষণ ও হত্যা

জয়পুরহাটে ৭ জনের প্রাণদণ্ড

জয়পুরহাট প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জয়পুরহাটে ৭ জনের প্রাণদণ্ড

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের দেওড়া গ্রামের গৃহবধূ আরতি রানী মহন্তকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক ড. এ বি এম মাহমুদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত সাত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

প্রাণদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন—আক্কেলপুরের মারমা পূর্বপাড়া গ্রামের খয়বর আলীর ছেলে সোহেল তালুকদার (২৭), দেওড়া সোনারপাড়া গ্রামের মৃত রইচ উদ্দিনের ছেলে আফজাল হোসেন (৫০), দেওড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের (গুচ্ছগ্রাম) মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে রাহিম ওরফে রাহিন (২৪), দেওড়া সাখিদারপাড়ার এবারত আলী সাখিদারের ছেলে ফেরদৌস আলী সাখিদার (৪৪), দেওড়া সোনারপাড়া গ্রামের ভোলা সোনারের ছেলে মজিবর রহমান (৪৪), জগতি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে রুহুল আমিন (৩৭) ও দেওড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের (গুচ্ছগ্রাম) মৃত ইছাহাক আলীর ছেলে আজিজার রহমান (৫২)। এদের মধ্যে সোহেল তালুকদার ও ফেরদৌস আলীকে পাঁচ লাখ টাকা করে এবং অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জয়পুরহাট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ও  জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফিরোজা বেগম যৌথভাবে মামলাটি পরিচালনা করেন। সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ নাথ মণ্ডল ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ফিরোজা বেগম এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মামলার বিররণে জানা যায়, গত ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর রাতে আরতি রানী মহন্ত প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে যান। এ সময় কয়েকজন লোক আরতি রানীকে তুলে নিয়ে যায়। ৯ বছরের মেয়ে অর্চনা রানীর ঘুম ভাঙলে মাকে দেখতে না পেয়ে প্রথমে বাড়ির আশপাশে খোঁজ করে। এরপর না পেয়ে অর্চনা গ্রামের লোকজনদের ঘটনাটি জানায়। পরে বাড়ির অদূরে পোড়া পুকুরপাড়ের ধান ক্ষেতে আরতিকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। আরতি রানীর স্বামী উজ্জ্বল মহন্ত বাদী হয়ে ঘটনার দুই দিন পর সাতজনকে আসামি করে আক্কেলপুর থানায় মামলা করেন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা