kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বন্দরে কেমিক্যাল টেস্টিং ইউনিট স্থাপন

জীবন নিয়ে ঝুঁকি নিতে পারি না : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জীবন নিয়ে ঝুঁকি নিতে পারি না : হাইকোর্ট

বিদেশ থেকে আমদানি করা ফলে রাসায়নিকের মাত্রা পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন বন্দরে ‘কেমিক্যাল টেস্টিং ইউনিট’ স্থাপনের আদেশ কার্যকরের সর্বশেষ অগ্রগতি জানাতে এনবিআরকে দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালত বলেছেন, ‘মানুষের জীবন নিয়ে আমরা ঝুঁকি নিতে পারি না। ফলে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য যেসব স্থানে যন্ত্র নেই, প্রয়োজন হলে সেসব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশন বন্ধ করে দিতে হবে।’

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে রাসায়নিক পরীক্ষা ছাড়া আমদানি করা ফল দেশে প্রবেশ করার সুযোগ নেই।

মৌসুমি ফলে কেমিক্যালের ব্যবহার হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে গত ২৩ জুন হাইকোর্ট বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে (বিএসটিআই) নির্দেশ দেন। এ ছাড়া বিদেশ থেকে আমদানি করা ফলে রাসায়নিকের মাত্রা পরীক্ষার জন্য দেশের সব বন্দরে যন্ত্র বসাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এনবিআর চেয়ারম্যানকেও নির্দেশ দেওয়া হয়। এ আদেশ বাস্তবায়ন বিষয়ে গত ২৫ আগস্ট অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করে এনবিআর ও বিএসটিআই। পরদিন ২৬ আগস্ট আদালত এক আদেশে বলেন, অবকাশকালীন ছুটির পর এ বিষয়টি কার্যতালিকায় আসবে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল আদালত সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার দুই সপ্তাহ সময় চান। আদালত এই সময় মঞ্জুর করেন। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন আদালত। এইচআরপিবির পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনবিআরের অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশে ছয়টি কাস্টম হাউস এবং ১৪টি শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে ফল আমদানির সুযোগ রয়েছে। তবে ছয়টি কাস্টম হাউসের মধ্যে চট্টগ্রাম ও ঢাকার মাধ্যমে ফল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামে একটি অত্যাধুনিক রাসায়নিক ল্যাব রয়েছে। ঢাকা কাস্টম হাউসে নিজস্ব কোনো রাসায়নিক পরীক্ষাগার না থাকায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিসে আমদানি করা ফল পরীক্ষা করা হয়। আর মোংলা ও বেনাপোল কাস্টম হাউসের মাধ্যমে ফল আমদানি না হলেও এ দুটি কাস্টম হাউসে রাসায়নিক পরীক্ষাগার রয়েছে এবং ভবিষ্যতে ফল আমদানি হলে তা রাসায়নিক পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা