kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও ট্রুডোর দলই থাকছে

মুহম্মদ খান, কানাডা   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও ট্রুডোর দলই থাকছে

কানাডায় দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ক্ষমতাসীন দল লিবারেল পার্টি। তবে এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি দলটি। তার পরও এটি মোটামুটি নিশ্চিত যে ট্রুডোর দল সংখ্যালঘু হিসেবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

কানাডার মোট আসন ৩৩৮টি। দ্বিতীয়বারের মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ট্রুডোর দলের প্রয়োজন ছিল ১৭০টি আসন। কিন্তু লিবারেল পার্টি পেয়েছে ১৫৭টি আসন। গতবার পেয়েছিল ১৭৭টি। প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো আইন পাস করানোর ক্ষেত্রে ট্রুডোর দলকে বামপন্থী বিরোধী দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হবে।

নির্বাচন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ এবারের নির্বাচনকে বলছেন ‘সিদ্ধান্তহীন’, কেউ আবার বলছেন ‘ইস্যুবিহীন নির্বাচন’। এবারের নির্বাচন নিয়ে বিশ্লেষকদের পক্ষে এর বাইরে কোনো মন্তব্য করা আসলেই কঠিন ছিল। চলমান বড় কোনো সমস্যা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে তার বাস্তবসম্মত সমাধানের প্রতিজ্ঞা করতে পারেনি এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া ছয় দলের কোনোটিই। তাই কোন দলকে ভোট দেবেন, কিংবা কেন দেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন ভোটাররা।

নির্বাচনের আগের জরিপগুলোতেও এর প্রভাব দেখা গেছে। কোনো জরিপে এগিয়ে ছিল জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি, কোনো জরিপে আবার এগিয়ে ছিল অ্যান্ড্রু শিওরের কনজারভেটিভ পার্টি। তৃতীয় দল হিসেবে খুব বেশি পিছিয়ে ছিল না জাগমিত সিংয়ের নেতৃত্বাধীন এনডিপিও। চমৎকার ভাষণ আর যৌক্তিক আলোচনার দাপট দেখিয়ে গত এক মাসে দ্রুত যায়গা করে নিয়েছিলেন তরুণ ভোটারদের কাছে।

যেন ‘ভোট উৎসব’

কানাডায় নির্বাচনী দিনের অভিজ্ঞতার কথা বলেতে গেলে বাংলাদেশের সঙ্গে পার্থক্য ছিল যথেষ্ট। টরন্টোর একাধিক ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পথে চোখে পড়েনি কোনো পোলিং এজেন্ট। দেয়ালে পোস্টার আর মাইকে প্রচারণার মতো বিষয়গুলো এখানে অপরিচিত। অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। তবে বন্ধ ছিল না একটি স্কুলও। কেবল স্কুলের ইনডোর জিমনেসিয়ামে খেলতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। টরন্টোর অষ্টম গ্রেডের শিক্ষার্থী মালিয়াত জানাল, ভোটের দিন তার সবগুলো ক্লাসই হয়েছে। বন্ধ ছিল না অফিস-আদালতও।

মেহেদি হাসান কানাডায় আছেন ১২ বছর ধরে। তবে এবারই প্রথম ভোট দিলেন। তিনি বলেন, ‘ভোট দেওয়ার জন্য আজ তিন ঘণ্টার ছুটি পেয়েছিলাম।’

হেরেছেন ৩ বাংলাদেশি

প্রথমবারের মতো কানাডার নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন প্রার্থী। এনডিপি থেকে ছিলেন খালিশ আহমেদ ও ফাইজ কামাল। লিবারেল থেকে অংশ নিয়েছিলেন আফরোজা হোসেন। প্রত্যেকেই নিজেদের আসনে তৃতীয় হয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা