kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আজ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার নির্বাচন

ভোটার তালিকায় তারেক-মামুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভোটার তালিকায় তারেক-মামুন!

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার (যাপ) ২০১৯-২০২১ নির্বাচনে বিধি ভঙ্গ করে তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আজ শনিবার ওই নির্বাচন। নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড প্রকাশিত নির্বাচনী বিধিমালার ২ নম্বর ক্রমিকে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ভোটার হতে হলে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স ও ইটিআইএন সনদ/আয়কর প্রদানের রসিদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।’

ভোটার তালিকায় দেখা যায়, তারেক রহমানের ভোটার নম্বর ৭৪। তাঁকে ভোটার করা হয়েছে মেসার্স রহমান শিপার্স (বাংলাদেশ লি.) এমভি কোকো-৫ এম নং-৬৬৬১-এর নামে। গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ভোটার নম্বর ৭৩। তাঁকে ভোটার করা হয়েছে মেসার্স রহমান নেভিগেশন-কোকো-৪ এম নং-৫৮২৬-এর নামে।

তারেক রহমান ২০০৭ সাল থেকে বিদেশে অবস্থান করছেন। আর ওই সময় থেকে কারাগারে আছেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অন্যতম শর্ত হালনাগাদ ইটিআইএন জমা দেননি। নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডে এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন সংস্থাটির ভোটার মোহম্মদ নিজামউদ্দিন। একইভাবে তিনি নির্বাচন বাতিল চেয়ে এফবিসিসিআইয়ের ট্রাইব্যুনালেও একটি আপিল দায়ের করেছেন বলে কালের কণ্ঠকে জানান।

নিজামউদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী কোনোভাবেই তারেক রহমান ও গিয়াস আল মামুন ভোটার হতে পারেন না। আমি সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। নিয়ম ভঙ্গ করে তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে লিখিতভাবে নির্বাচন বয়কট করেছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আবু মোতালেব কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভোটার তালিকা আগেই করা হয়েছে। সে সময় কোনো অভিযোগ বা আপত্তি পাওয়া যায়নি। পরে মোহম্মদ নিজামউদ্দিন এফবিসিসিআইয়ের আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে একটি আবেদন করেন।

একই সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েও আবেদন করেন।

এফবিসিসিআইয়ের ট্রাইব্যুনাল মামলার শুনানি করলেও কোনো রায় দেয়নি। অন্যদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্বাচন স্থগিত করার একটি রায় দেয়। এর প্রেক্ষিতে একটি পক্ষ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গেলে উচ্চ আদালত নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা নেই বলে রায় দেন। সেই আদেশবলেই আজ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা