kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ওবায়দুল কাদের বললেন

পদ্মা সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পদ্মা সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ

দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ। ছবি : কালের কণ্ঠ

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০২১ সালের জুনের মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ। সেতুর আর্থিক অগ্রগতি ৭৫.৮৪ শতাংশ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ।’ গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া-১-এর ভিজিটরস সেন্টারে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, মূল সেতুর সব কটি পাইল ড্রাইভের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ৩২টির কাজ শেষ

হয়েছে। আর বাকি ১০টির কাজ চলমান। সর্বমোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে চীন থেকে মাওয়া সাইটে এসেছে ৩১টি। এর মধ্যে ১৪টি স্থাপন করা হয়েছে। ১৫তম স্প্যান স্থাপনের জন্য ২৩ ও ২৪ নম্বর পিলার এলাকায় অবস্থান করছে। এ ছাড়া আরো চারটি স্প্যান কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড ও একটি স্প্যান চর এলাকায় ২৮ নম্বর পিলারের কাছে স্থাপনের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। রেলওয়ে স্লাবের জন্য মোট দুই হাজার ৯৫৬টি প্রি-কাস্টের প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে দুই হাজার ৮৯১টি স্লাব তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। বাকি স্লাব আগামী নভেম্বরে শেষ হবে। এ পর্যন্ত ৩৬১টি স্লাব স্থাপন করা হয়েছে। অন্যদিকে দুই হাজার ৯১৭টি প্রি-কাস্ট রোডওয়ে ডেকস্লাবের মধ্যে এক হাজার ৫৫৩টির কাজ শেষ হয়েছে এবং ৫৪টি স্থাপন করা হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মূল সেতুর কাজের চুক্তিমূল্য ১২ হাজার ১৩৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ৯ হাজার ২০১ দশমিক ৯৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে নদীশাসনের বাস্তব কাজের ৬৩ শতাংশ শেষ হয়েছে। নদীশাসন কাজের আর্থিক অগ্রগতি ৫০.৪০ শতাংশ। মোট ১৪ কিলোমিটারের মধ্যে ৬ দশমিক ৬০ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নদীশাসন কাজের চুক্তিমূল্য আট হাজার ৭০৭ দশমিক ৮১ কোটি টাকা, যার মধ্যে চার হাজার ৩৮৮ দশমিক ৪৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সংযোগ সড়কের শতভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর জন্য অ্যাকোয়ার করা অতিরিক্ত বা অব্যবহৃত জায়গায় দুধ ও মাংস উৎপাদনে গবাদি প্রাণীর প্রজনন ও জাত উন্নয়ন মিলিটারি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই ফার্ম পরিচালিত হবে। এ কাজের জন্য সেনাবাহিনীকে দুই হাজার ১৫৯ একর জমি ছেড়ে দেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহে এ নিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সেতু বিভাগের একটি এমওআই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন, পদ্মা সেতু প্রকল্প কর্মকর্তা (পিডি) শফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার ও পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম পিপিএম, পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের, নির্বাহী প্রকৌশলী সারফুল ইসলাম প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা