kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কয়লাখনিতে চুরি

বড়পুকুরিয়ার সাবেক তিন কর্তা জেলে

২০ জনের জামিন

দিনাজপুর প্রতিনিধি    

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বড়পুকুরিয়ার সাবেক তিন কর্তা জেলে

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে চুরির ঘটনায় এক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) সাবেক তিন কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই আদেশে সাবেক ছয় এমডিসহ ২০ জনকে  জামিন দেন বিচারক। গতকাল বুধবার দুপুরে দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভূঞা এ আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া সাবেক কর্মকর্তারা হলেন—বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির এমডি প্রকৌশলী হাবিব উদ্দীন আহম্মাদ, মহাব্যবস্থাপক (মাইন অপারেশন) আবু তাহের মো. নুর-উজ-জামান চৌধুরী এবং উপমহাব্যবস্থাপক (স্টোর) এ কে এম খাদেমুল ইসলাম। তিনজনই বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের মামলা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওমর ফারুক ও এম আমিনুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা জানান, আদালতে দুদকের পক্ষে দাখিল করা অভিযোগপত্র গত মঙ্গলবার বিচারক আমলে নিয়ে সাবেক সাত এমডিসহ ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এক দিন পরই বুধবার দুপুরে ২৩ আসামি আদালতে এসে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক শুনানি শেষে সাবেক তিন কর্মকর্তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠান। অপর  সাবেক ছয় এমডিসহ ২০ জনের জামিন দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত বড়পুকুরিয়ার খনি থেকে এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯২ মেট্রিক টন কয়লা চুরি হয়, যার আনুমানিক দাম ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা ৮৪ পয়সা। এ ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কম্পানির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আনিসুর রহমান বাদী হয়ে গত বছরের ২৪ জুলাই ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর থানায় মামলা করেন। মামলাটি দুদকের তফসিলভুক্ত হওয়ায় দুদক কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

মামলায় আসামি করা হয় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি প্রকল্পের সাবেক সাত এমডিসহ ২৩ জনকে। তাঁরা হলেন—সাবেক এমডি মো. মাহবুবুর রহমান, মো. আব্দুল আজিজ খান, প্রকৌশলী খুরশিদ আলম, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, মো. আনিসুজ্জামান, প্রকৌশলী এস এম নুরুল আওরঙ্গজেব ও প্রকৌশলী হাবিব উদ্দীন আহমেদ। এ ছাড়া সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) শরিফুল আলম, মো. আবুল কাশেম প্রধানিয়া, আবু তাহের মো. নুরুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক ব্যবস্থাপক মাসুদুর রহমান হাওলাদার, মো. আরিফুর রহমান ও সৈয়দ ইমাম হাসান, সাবেক উপব্যবস্থাপক মো. খলিলুর রহমান, মো. মোর্শেদুজ্জামান, মো. হাবিবুর রহমান, মো. জাহিদুর রহমান, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক সতেন্ত্র নাথ বমণ, মো. মনিরুজ্জামান, সাবেক কোল হ্যান্ডেলিং ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপক মো. সোহেবুর রহমান, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক এ কে এম খাদেমুল ইসলাম, সাবেক ব্যবস্থাপক অশোক কুমার হাওলাদার ও সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. জোবায়ের আলীকে এ মামলার আসামি করা হয়।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা