kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দুর্যোগ প্রশমন দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবেলায়ও রোল মডেল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবেলায়ও রোল মডেল

দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এখন শুধু উন্নয়নেরই নয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতেও বিশ্বে একটি রোল মডেল দেশ। তিনি বলেন, ‘বিশ্বে এখন আমরা শুধু উন্নয়নের রোল মডেলই নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলাতেও রোল মডেল হিসেবে একটা সম্মান পেয়েছি।’

গতকাল রবিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, অগ্নিকাণ্ড—এসবে ক্ষয়ক্ষতি যাতে হ্রাস পায় তার জন্য যা ব্যবস্থা নেওয়ার এরই মধ্যে আমরা তা নিয়েছি, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে এবং সবাই মনে করে এটাও বাংলাদেশের কাছ থেকে শেখার রয়েছে। অনেকে আমাদের কাছ থেকে এটা এখন জানতে চায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছর জুলাই মাসে ঢাকায় গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপ্টেশনের সভা হয়েছে। সেখানে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন দুর্যোগ প্রতিরোধে বাংলাদেশের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বিশ্ব অভিযোজন কেন্দ্র-ঢাকা অফিস’ স্থাপনের ঘোষণা দেন।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যেকোনো মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ আসুক আর প্রাকৃতিক দুর্যোগই আসুক, সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য বাংলাদেশ সব সময় প্রস্তুত থাকবে, সেটাই আমি চাই। আমাদের ভলান্টিয়াররা নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করবে, সেটারই আমি আশা পোষণ করি।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে গড়ে তুলতে চাই উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে। জাতির পিতা স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাঁর একটা স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা এবং দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ। আমরা সেই সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।’

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এ বি তাজুল ইসলাম ও সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

‘দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় দুজন ‘দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ’ প্রাপ্ত ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার শিউলী রানী শীল ও কুড়িগ্রামের মো. শহীদুল ইসলাম অনুষ্ঠানে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সেরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এ বছর ৮২ জনকে সিপিপি পুরস্কার দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে তিনজনের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। তাঁরা হলেন কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার বুলবুল জান্নাত, ভোলার লালমোহন উপজেলার এ কে এম কামরুল ইসলাম ও খুলনার মোংলা উপজেলার সুস্মিতা মণ্ডল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা