kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া সেন্টারে আইএমএর প্রেসিডেন্ট

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাংলাদেশ-ভারত একযোগে কাজ করতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাংলাদেশ-ভারত একযোগে কাজ করতে পারে

বাংলাদেশ ও ভারতের চিকিৎসাসেবা একই ধরনের। তবে স্বাস্থ্য খাতে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের বরাদ্দ বেশি। কিন্তু উন্নত দেশের তুলনায় তা একেবারেই নগণ্য। বাংলাদেশ থেকে বহু রোগী চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারতে যায়। কিন্তু দুই দেশের চিকিৎসকরা চিকিৎসার প্রয়োজনে এক দেশ থেকে অন্য দেশে সহজে যেতে পারেন না। দুই দেশের সরকার উদ্যোগী হলে চিকিৎসা সহযোগিতা বিনিময়ের মাধ্যমে নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সহজতর হবে। গতকাল শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. শান্তুনু সেন। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাংসদও।

তিনি বলেন, যেখানে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ রাখা হয় মোট বাজেটের ১৮-১৯ শতাংশ সেখানে ভারতের বরাদ্দ মাত্র ১ দশমিক ১০ শতাংশ। আর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে এই বাজেট যথেষ্ট নয়। ভাষা এবং সংস্কৃতির মিল থাকার কারণে বাংলাদেশের বহু মানুষ প্রতিবছর ভারতে চিকিৎসার প্রয়োজনে যায়। বিশেষ নিমন্ত্রণ ছাড়া ভারতের বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে আসতে পারেন না। বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি হাসপাতালে ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসা প্রদান করলেও তা বেশ জটিল। তাই দুই দেশের সরকারের উচিত স্বাস্থ্যসেবা সহজতর করার স্বার্থে চিকিৎসকদের আসা-যাওয়া শিথিল করা।

ডা. শান্তুনু আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এ ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিতে পারে। বাংলাদেশ সরকারকে তা বোঝাতে সক্ষম হলে ভারতের সরকারকে বোঝানোর দায়িত্ব নেবে আইএমএ।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সাথি নামে একটি প্রকল্প রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এর মাধ্যমে ব্যয়বহুল অনেক পরীক্ষাও বিনা মূল্যে করা হয়। এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে বিনা মূল্যে সেবা দেওয়া হয় এ প্রকল্পের মাধ্যমে। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে পাশের অনেক রাজ্যের নাগরিকও সেবা নিতে আসে।

ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সঙ্গে ড. তুষার শীল ও ড. সত্যজিৎ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা