kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

মর্মাহত জাতিসংঘ যুক্তরাজ্য জার্মানি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মর্মাহত জাতিসংঘ যুক্তরাজ্য জার্মানি

আবরার হত্যাকাণ্ড

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি। গতকাল বুধবার বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বাক্স্বাধীনতা একটি মানবাধিকার। ওই অধিকার চর্চার জন্য কাউকে হয়রানি, নির্যাতন বা হত্যার শিকার হওয়া উচিত নয়।’

তবে এরই মধ্যে সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ দেশের কর্তৃপক্ষের নেওয়া ব্যবস্থাও আমলে নিয়েছে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের দপ্তর। বিবৃতিতে তারা ওই হত্যাকাণ্ডের স্বাধীন তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারকে উৎসাহী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ প্রত্যাশা করেছে।

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের দপ্তর বলেছে, বাংলাদেশে বছরের পর বছর ধরে ক্যাম্পাসভিত্তিক সহিংসতা, অনেক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হলেও দৃশ্যত দায়মুক্তি চলছে।

এদিকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো গতকাল বুধবার দুপুরে ঢাকায় কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন ডিকাবের অনুষ্ঠানে আবরার হত্যার দ্রুত তদন্ত ও বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন। মিয়া সেপ্পো বুয়েটে আবরার হত্যাকাণ্ডকে ভয়ংকর ও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন। নিজের দুই সন্তান থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডের কথা জেনে তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, ক্যাম্পাস অবশ্যই নিরাপদ হতে হবে।

মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘এ ঘটনা ভাবা তো একটি আতঙ্কজনক দুঃস্বপ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া দুই সন্তানের মা হিসেবে এটা ভাবা আমার কাছে আতঙ্কের। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের

ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, সে ব্যাপারে জনগণের মাঝে আস্থা থাকতে হবে। প্রকাশ্য স্থানে জনগণ বিশেষ করে কিশোরী, নারী, তরুণ, পুরুষসহ সবাই যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, তা নিশ্চিত থাকতে হবে।’

এদিকে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় বলেছে, ‘বুয়েটে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমরা বিস্মিত ও মর্মাহত। যুক্তরাজ্য বাক্স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রসঙ্গে নিঃশর্তভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

অন্যদিকে ঢাকায় জার্মান দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক বার্তায় বলেছে, ‘বাংলাদেশে জার্মান দূতাবাস দুঃখ ও অনুতাপের সঙ্গে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনা আমলে নিয়েছে। আমরা তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই। একই সঙ্গে গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানাই।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা