kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা

অভিযুক্তদের পরিবার বিব্রত হতবাক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অভিযুক্তদের পরিবার বিব্রত হতবাক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় রাজশাহীর দুজন, দিনাজপুরের একজন ও ময়মনসিংহের একজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন বুয়েট ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির ও সদস্য মুনতাসির আল জেমি।

আবরার হত্যায় জড়িত থাকার খবরে বিব্রত ও হতবাক হয়েছে ওই শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে তারা।

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বড়ইকুড়ি গ্রামের ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনের ছেলে অনিক। আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই ছেলেকে নিয়ে ছিল আমার অনেক আশা-ভরসা। তার তো কোনো অভাব ছিল না! আমি তাকে কোনো অভাব বুঝতে দিইনি। কিন্তু কেন সে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ল? আবার কেনই বা আরেকজনকে হত্যা করতে গেল? ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের অনুরোধ জানাচ্ছি।’

অন্যদিকে রবিনের বাবা মাকসুদ আলী রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভড়ুয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক। মাকসুদ আলী বলেন, ‘শুনেছি আমার ছেলে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না, সে এমন একটি ভয়াবহ অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।’

হত্যা মামলার ৬ নম্বর আসামি মনির দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ভগিরপাড়া গ্রামের মাহাতাব হোসেন ও এলিজা বেগমের ছেলে। এলিজা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কারণ এ ঘটনা যখন ঘটছিল, তখন তার সঙ্গে আমি মোবাইল ফোনে কথা বলছিলাম। আমার ছেলে আমাকে জানায়, সে তার রুমে আছে। রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত কথা হয়।’

এদিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের কালিয়ান গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে জেমি। সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ময়মনসিংহের উপমহাব্যবস্থাপক আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমি আমার ছেলেকে চিনি। সে কখনই খুনের মতো ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না। বড় ভাইদের কথায় সে ফেঁসে থাকতে পারে। ছেলে যদি দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে তার শাস্তি হোক আমি চাই।’

[এ প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন রাজশাহী ব্যুরো, দিনাজপুর প্রতিনিধি, নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ ও ময়মনসিংহ (আঞ্চলিক) প্রতিনিধি]

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা