kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফখরুল বললেন

এখন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরোচ্ছে

শুরুতেই ‘গলদ’ ছাত্রদল নেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এখন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরোচ্ছে

ফাইল ছবি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার বলছে, যারা ধরা পড়ছে তারা আগে বিএনপি করত, যুবদল করত। এসব বলে লাভ নেই, দেশের মানুষ সব বোঝে। দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এসব কথাবার্তা। এখন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরোচ্ছে। ধর্মের কল বাতাসে নড়তে শুরু করেছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কাউন্সিলে নির্বাচিত সভাপতি ফজলুর রহমান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলকে নিয়ে শেরেবাংলানগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ফখরুল এসব বলেন।

‘ক্যাসিনো’ কারবার বিএনপির আমলেই শুরু হয়েছে—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ রকম বক্তব্যের জবাবে ফখরুল বলেন, ওনাকে জিজ্ঞাস করেন তো এটা (ক্যাসিনো) পত্র-পত্রিকায় কখন সামনে এসেছে? বিএনপির আমলে তো কখনো মিডিয়াতে আসেনি। যেভাবে পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশনে এসেছে তাতে প্রমাণ হয়, আওয়ামী লীগ সরকার শুধু দুর্নীতি নয়, তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক কাঠামো ভেঙে ফেলছে এবং এ দেশকে সত্যিকার অর্থে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

তিনি বলেন, সরকারের একেবারে উচ্চপর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত আকণ্ঠ নিমজ্জিত দুর্নীতিতে। তার প্রমাণ ঢাকা মহানগর থেকে শুরু করে যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পর্যন্ত সবখানেই দুর্নীতি।

ছাত্রদলের কাউন্সিলের অর্জন কী এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদালতকে তারা (সরকার) ব্যবহার করেছে কাউন্সিল বন্ধ করতে। তার পরও অত্যন্ত সফলভাবে ছাত্রদলের কাউন্সিল হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব।

ছাত্রদলের নবনির্বাচিত দুই নেতাসহ সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জিয়ার কবরের সামনে মুষ্টিবদ্ধ হাত সামনে রেখে শপথ বাক্য পাঠ করান ফখরুল।

এ সময় দলের নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ড. আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতেই গলদ : পদ পাওয়ার পর প্রথম কর্মসূচিতেই দেরিতে অংশ নিয়েছেন ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁদের জিয়ার কবরে থাকার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের প্রায় ঘণ্টাখানেক পর সেখানে পৌঁছান তাঁরা। অথচ নির্ধারিত সময়েই বিএনপির মহাসচিবসহ দলের সিনিয়র নেতারা সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাসময়ে না আসায় তাঁদের তিরস্কার করেন কয়েকজন সিনিয়র নেতা।

এ বিষয়ে কর্মসূচি স্থলে দুই নেতার কাছে জানতে চাইলে তাঁরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা