kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সবিশেষ

পাখির বিষ্ঠায় অর্ধশতাধিক ঘাতক জীবাণুু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাখির বিষ্ঠায় অর্ধশতাধিক ঘাতক জীবাণুু

অনেকেই আছে, যারা শখ করে বাড়িতে নানা জাতের পাখি পুষে থাকে। এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়, যারা পাখির ব্যবসা করে। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানে না যে পাখির মল বা বিষ্ঠা থেকে ৬০টির বেশি ধরনের ঘাতক রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে।

গবেষকরা বলছেন, পাখির মল বা বিষ্ঠা থেকে নানা ধরনের রোগ-জীবাণুু সংক্রমিত হতে পারে। শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, কাশি ও জ্বর ছাড়াও নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস বা ‘সিটাকোসিস’ নামের এক ধরনের ফ্লু শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। এ ছাড়া ফুসফুসে সংক্রমণের ফলে ‘হিসটোপ্লাসমোসিস’ নামের প্রদাহজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। মাথাব্যথা, ত্বকের সমস্যা, ডায়রিয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে পাখির মল বা বিষ্ঠা থেকে।

গবেষকদের পরামর্শ হলো, বাড়িতে বা ঘরের কোনো অংশে পাখির, বিশেষ করে পায়রার মল জমলে তা যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কার করতে হবে। আর পরিষ্কার করার আগে জায়গাটি ভিজিয়ে নিতে হবে পানি দিয়ে। পায়রার মল বা বিষ্ঠা পরিষ্কারের সময় নাক-মুখ ঢেকে নিতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয়, ফিনাইল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে জায়গাটি জীবাণুমুক্ত করা। আর বাড়িতে শিশু বা বয়স্ক মানুষ থাকলে পাখি না পোষাই ভালো।

স্কটল্যান্ডের স্বাস্থ্যসচিব জিন ফ্রিম্যান জানান, পাখির, বিশেষ করে পায়রার মল বা বিষ্ঠা থেকে মারাত্মক সব রোগ-জীবাণু ছড়াতে পারে। ক্যান্ডিডায়সিস নামের মারাত্মক ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে পায়রার বিষ্ঠা থেকে। ক্যান্ডিডায়সিসের সংক্রমণ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছালে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। সূত্র : জিনিউজ।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা