kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা বাদ ২০২১ সাল থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা বাদ ২০২১ সাল থেকে

২০২১ সাল থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা থাকছে না। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে ক্লাস পরীক্ষার মাধ্যমে। তবে চতুর্থ শ্রেণি থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর আগে আগামী বছর থেকে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০০টি বিদ্যালয়ে পাইলটিং হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০১৯ উদ্যাপন উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন এসব তথ্য জানান।

সচিব বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার চাপ কমাতে আমরা প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সে লক্ষ্যে আমরা গত ছয় মাস থেকে কাজ করেছি। ২০২০ সাল থেকে পাইলটিং হিসেবে ১০০ বিদ্যালয়কে এর আওতায় আনা হবে।’

পাইলটিং কার্যক্রম শেষ হলে ২০২১ সাল থেকে দেশের ৬৫ হাজারেরও বেশি বিদ্যালয়ে এ পরীক্ষা বাতিল করে ক্লাস পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি ২০২১ সাল থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হবে।

সাক্ষরতার হার ৭৩.৯ শতাংশ : সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানান, দেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৩.৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা ২০০৫ সালে ছিল ৫৩.৫ শতাংশ। গত এক বছরে নিরক্ষর মানুষের মধ্যে সাক্ষরতার হার ১ শতাংশ বেড়েছে। তবে আগামী পাঁচ বছরে দেশে এক কোটি মানুষকে সাক্ষরতার আওতায় আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হবে। এ বছর ইউনেসকো থেকে প্রতিপাদ্য নির্বাচন করা হয়েছে ‘বহু ভাষায় সাক্ষরতা, উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা’। তিনি বলেন, বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ নিরক্ষরকে অক্ষরজ্ঞান প্রদান করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৪ জেলায় নির্বাচিত ২৫০ উপজেলার ১৫-৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ নিরক্ষরকে সাক্ষরতা জ্ঞান প্রদান করেছি। এরই মধ্যে এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ১৩৪ উপজেলায় শিখনকেন্দ্রের মাধ্যমে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪৪১ নিরক্ষরকে সাক্ষরতা প্রদান করা হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা