kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

যশোরের এক গ্রামেই ১৩৯ ডেঙ্গু রোগী!

তিনজনের মৃত্যুর দাবি এলাকাবাসীর

যশোর অফিস   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যশোরের এক গ্রামেই ১৩৯ ডেঙ্গু রোগী!

যশোরে বানিয়াবহু গ্রামে ১৩৯ ব্যক্তি ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে গ্রামবাসী দাবি করেছে। গত শনিবার যশোরের জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ ওই গ্রাম পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৩৯ জনের তালিকা জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দেয় গ্রামবাসী। এ সময় তারা বিনা মূল্যে মশা মারার ওষুধ এবং ডেঙ্গু আক্রান্তদের আর্থিক সহায়তার দাবি জানায়। ডেঙ্গুতে মৃত্যুর দাবি করা তিনজন হলেন গোলাম হোসেনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৫), রমজান আলীর ছেলে হযরত আলী লাল (৫০) ও সিরাজ সরদারের ছেলে নূরুল ইসলাম (৬০)। তবে যশোরের সিভিল সার্জন দিলীপ কুমার রায় বানিয়াবহু গ্রামে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন। যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে বানিয়াবহু গ্রামটির অবস্থান। ডেঙ্গুতে যে

তিনজনের মৃত্যুর দাবি করা হয়েছে তাঁদের বাড়ি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে। গতকাল রবিবার বিকেলে কথা হয় এই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ওই তিনজনের মৃত্যুর খবর আমি জানি। এর মধ্যে রফিকুল ইসলামের ক্যান্সার ছিল। হযরত আলী লাল ও নূরুল ইসলাম জ্বরে মারা গেছেন। তবে ডেঙ্গু কি না, আমি নিশ্চিত নই।’

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর পর্যন্ত যশোরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৩৭৭।

গ্রামবাসী দাবি করে, বানিয়াবহু গ্রামে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ১৩৯ জন। আর মারা গেছে তিনজন। এ খবর পেয়ে গত শনিবার ওই গ্রামে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মশা নিধন অভিযান চালানো হলেও গ্রামবাসী আতঙ্কে রয়েছে। পাশাপাশি এ আতঙ্ক আশপাশের গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে সিভিল সার্জন ডা. দিলীপ কুমার রায় বানিয়াবহু গ্রামে শতাধিক আক্রান্তের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘এ গ্রাম বিলসংলগ্ন। বৃষ্টির পর জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় এডিস মশার বিস্তার ঘটেছে। ফলে ওই এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। তবে বানিয়াবহু গ্রামে তিনজন মারা যাওয়ার বিষয়টি ঠিক নয়।’ তিনি বলেন, ‘পুরো জেলায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কাজ করছে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা। ফলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে সে তথ্য জানা যেত। বানিয়াবহু  গ্রামে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা