kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সবিশেষ

গভীর সংকটে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গভীর সংকটে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ

অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী প্রবালপ্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের অবস্থা ‘খারাপ’ থেকে ‘আরো খারাপ’ হয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন বলছে। এ অবস্থার জন্য দায়ী করা হয়েছে মানুষের কর্মকাণ্ড এবং তার জেরে বেড়ে চলা বৈশ্বিক তাপমাত্রা ও জলবায়ু পরিবর্তনকে। দুই হাজার ৩০০ কিলোমিটার বিস্তৃত এ প্রাচীরে নতুন প্রবাল তৈরি প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে। আর যেগুলো আছে, সেগুলোর অবস্থাও বেশ খারাপ।

উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রে পানির তাপমাত্রা বেড়েই চলছে। ফলে একদিকে যেমন প্রবালপ্রাচীর ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে যেটুকু অবশিষ্ট আছে তার অবস্থা দীর্ঘ মেয়াদে খারাপ হচ্ছে। ১৯৮১ সালে এ প্রাচীরকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা দিয়েছিল ইউনেসকো। এখন এটিকে বিপন্ন তকমা দেওয়ার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে তারা।

অস্ট্রেলীয় আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর অন্তর এই গ্রেট রিফের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ  করতে হয়। ২০০৯ সালে প্রকাশিত প্রথম প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, ‘এটি যে পরিস্থিতিতে রয়েছে তাতে ভালোও হতে পারে আবার খারাপও হতে পারে।’ ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো বিপদের ইঙ্গিত দেওয়া হয়। বিজ্ঞানীরা বলেন, রিফকে বাঁচাতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে চরম বার্তা দেওয়া হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, এ প্রাচীরের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে। সে সময় এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যায় সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা, যার জেরে প্রবাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একে কেন্দ্র করে বেঁচে থাকা প্রাণিকুলও বিপদে পড়ে। কিছু প্রজাতি এখনো সুস্থভাবে বেঁচে থাকলেও বাকিদের অবস্থা বেশ খারাপ। দিন দিন পরিস্থিতি আরো জটিল হচ্ছে।

প্রবাল প্রাচীরের এ সংকটের জন্য পরিবেশবিদদের অনেকে অস্ট্রেলীয় সরকারের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন। তাঁদের বক্তব্য, ১০ বছর সময় পেয়েও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি সরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দরবার করতে পারতেন। গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে উদ্যোগী ভূমিকা নিতে পারতেন। কিন্তু বিষয়টিকে কেউ গুরুত্বই দেননি। ফলও যা হওয়ার তাই হয়েছে। সূত্র : এই সময়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা