kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ছায়া সংসদ বিতর্কে সুলতানা কামাল

‘নুসরাত একটি অদম্য প্রতীক’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘নুসরাত একটি অদম্য প্রতীক’

অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, ‘আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলার জেরা শেষ পর্যায়ে। এই মামলার রায় সময়ের ব্যাপার মাত্র। এই নৃশংস হত্যা মামলা যাতে কোনোভাবে প্রভাবিত না হয়, সেদিকে সবার দৃষ্টি রাখতে হবে। নুসরাত একটি অদম্য প্রতীক, তার সাহসিকতা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমরা দেখতে পেয়েছি।’

গতকাল শনিবার সকালে বিএফডিসিতে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত এক ছায়া সংসদ বিতর্কের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ‘নুসরাত হত্যার সঠিক বিচার নারীর প্রতি সহিংসতা কমিয়ে আনবে’ শিরোনামে এ বিতর্ক হয়। বিতর্কে সরকারি দল হিসেবে পক্ষে অবস্থান নেয় সরকারি মাদরাসা-ই আলিয়া। আর বিরোধী দল হিসেবে বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিজয়ী হয় লালমাটিয়া মহিলা কলেজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতানা কামাল আরো বলেন, ‘আমরা এমন সমাজে বাস করছি, যেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে কষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে নারী নির্যাতনের চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ভয়াবহ। প্রতিদিন আমরা যে নির্যাতনের চিত্র দেখছি, তা আমাদের বিচলিত করছে। নারীরা সঠিক বিচার পেলে পরিস্থিতি এত ভয়াবহ হতো না।’

প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু রাইস, সাংবাদিক তামজীদুল ইসলাম, সাংবাদিক ফাল্গুনী রশিদ, লেখক নিশাত সুলতানা ও উন্নয়ন

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এস এম মোর্শেদ।

সুলতানা কামাল বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় মূল্যবোধের ওপর। আইন যখন তার কাজ ঠিকমতো করতে পারে না, তখন বিভিন্ন প্রশ্নের উদ্ভব হয়। একটি সমাজ শান্তিপূর্ণভাবে চলতে হলে ন্যায়বিচার থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, আইনের শাসন সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে, যার ভিত্তি হয় মূল্যবোধ।’ তিনি বলেন, ‘আইন যখন নিপীড়নমূলক হয়, দমনমূলক হয়, আইন যখন মানুষের কথা বলে না, তখন সমাজ মূল্যবোধহীন হয়ে পড়ে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। তিনি বলেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতা কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে নুসরাত হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখবে। তবে প্রতিটি নির্যাতন, নিপীড়ন ও হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার ছাড়া নারীর প্রতি সহিংসতা কমিয়ে আনা সম্ভব নয়।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা