kalerkantho

ঈদে গ্রামে গেলেও ডেঙ্গু ছড়ানোর ঝুঁকি কম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদে গ্রামে গেলেও ডেঙ্গু ছড়ানোর ঝুঁকি কম

সেমিনারে ডা. আব্দুল্লাহ

‘এডিস একটি গৃহপালিত মশা। বড় বড় অট্টালিকা এদের বিশেষ পছন্দ। ঢাকায় এর প্রকোপ বেশি। গ্রামে এরা খুব একটা বংশবিস্তার করে না। তাই ঈদে শহরের মানুষ গ্রামের বাড়িতে গেলে সেখানে এই রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি কম।’

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ গতকাল বুধবার ‘জরুরি অবস্থায় ডেঙ্গু’ বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিসিন বিভাগের সাবেক এই ডিন বলেন, ‘ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে ঈদে বাড়ি না যাওয়াই ভালো। সেখানে ঢাকার চেয়ে দক্ষ চিকিৎসক নাও থাকতে পারে। ডেঙ্গু রোগ ভালো হয়ে গেলে রক্ত পরীক্ষা করে নিতে হবে। এই রোগ পুরোপুরি সেরে গেলে শরীরে কোনো ভাইরাস থাকে না। ফলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর ভালো হওয়া রোগী দ্বারা এই রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা নেই।’

ডা. আব্দুল্লাহ আরো বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা জরুরি। জনমনে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে, সেগুলো দূর করতে হবে। কার্যকর ওষুধ ছিটিয়ে মশা না মারতে পারলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নেবে।’

রাজধানীর শ্যামলী রিং রোডে অবস্থিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল (ডিসিআইএমসি) আয়োজিত এই সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের চিফ নিউজ এডিটর আশিষ সৈকত। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ওসমান গণি, নিউরোমেডিসিনের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন ও গাইনোকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. শিরীন আহমেদ। বক্তব্যে শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের ডেঙ্গু হওয়ার লক্ষণ, ডেঙ্গু হলে করণীয়, প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

 

মন্তব্য