kalerkantho

সবিশেষ

রুপার খোঁজে ২২ বছর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রুপার খোঁজে ২২ বছর

ক্যালিফোর্নিয়ার এক ভূতুড়ে শহর শেরো গর্ডোর একমাত্র বাসিন্দা রবার্ট লুইস ডেমারাইস। হারিয়ে যাওয়া রুপার এক খনির খোঁজে ২২ বছর ধরে একাই রয়ে গেছেন এই পাহাড়ি শহরটিতে।

স্প্যানিশ ভাষায় শেরো গর্ডো শব্দের মানে সমতল পাহাড়। এই পাহাড়েই একসময় ছিল ক্যালিফোর্নিয়ার সবচেয়ে বড় রুপার খনিগুলো।

ডেমারাইস ছিলেন স্কুলশিক্ষক, ক্লাসে পড়ানোর ফাঁকে ফাঁকে এসে খুঁজতেন এ গুহা, সে গুহা। কিন্তু পরে চাকরি ছেড়ে দিয়ে একেবারে স্থায়ীভাবে চলে এসেছেন। তাঁর বিশ্বাস, এখনো কোনো পাথরের খাঁজে লুকিয়ে আছে রুপার বিপুল মজুদ।

ডেমারাইস হাতুড়ি, বাটাল আর শাবল দিয়ে ৮০০ ফুট জায়গা খুঁড়েছেন নিজ হাতে। একদিন তিনি রুপার খোঁজ পাবেন—এই বিশ্বাস তাঁর অটল। একেবারে কিছুই পাননি তিনি, তাও নয়। বিভিন্ন সময় এক ঠেলাগাড়ি সমপরিমাণ ছোট ছোট রুপার

টুকরো পেয়েছেন, যা সেখানে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের কাছে তিনি বিক্রি করেন। ছোট টুকরোগুলো পাঁচ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ২০ ডলার পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়।

শহরের এখানে সেখানে কয়েক বছর কাটিয়ে দেওয়ার পর ডেমারাইসকে একজন পাহাড়ের উঁচুতে একটি পরিত্যক্ত কেবিনে থাকতে দেন। সেটি ছিল উইলিয়াম হান্টার নামে এক খনি শ্রমিকের বাড়ি। বাড়িটা এত উঁচুতে যে সেখান থেকে পুরো শহরটা দেখা যায়। বাড়ির উচ্চতার জন্য ডেমারাইসের স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে নেভাডা চলে গেছেন। তবে শেরো গর্ডোতে যারা বেড়াতে যায়, তাদের বেশ আগ্রহ নিয়েই চারপাশ ঘুরিয়ে দেখান ডেমারাইস। এমনকি পর্যটকদের তিনি খনির ভেতরেও নিয়ে যেতে আগ্রহী। কিন্তু শহরের মালিক লস অ্যাঞ্জেলেসের ব্যবসায়ী ব্রেন্ট আন্ডারউড এবং জন বায়ের সে অনুমতি একেবারেই দেন না। গত জুলাইয়ে ১৫ লাখ ডলার দিয়ে ভুতুড়ে শহর শেরো গর্ডো কিনেছেন ব্রেন্ট আর জন। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা