kalerkantho

রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা

মামলার আট আসামি জেলে ৪ জন রিমান্ডে

বরিশাল অফিস ও বরগুনা প্রতিনিধি    

১৬ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মামলার আট আসামি জেলে ৪ জন রিমান্ডে

বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া ৯ আসামিকে গতকাল সোমবার আদালতে হাজির করা হয়। আসামিদের মধ্যে চন্দন, হাসান, অলি, টিকটক হৃদয়, নাজমুল হাসান, তানভীর হোসেন, রাব্বি ও সাগরের জামিন নামঞ্জুর করে তাদের আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এর মধ্যে রাতুল সিকদার জয় নামের এক আসামির বয়স কম হওয়ায় তাকে সেফহোমে পাঠানো হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তার আরো চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

জানা গেছে, গতকাল সকালে বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী আট আসামিকে জেলহাজতে এবং অন্য এক আসামিকে সেফহোমে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিকে মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীকে সাত দিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন, ‘মামলার ধার্য তারিখ অনুযায়ী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি যারা দিয়েছে তাদের আজ (সোমবার) আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আগামী ৩১ জুলাই ফের তারিখ নির্ধারণ করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৯ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর মধ্যে রাতুল সিকদার জয় নামে এক আসামির বয়স কম হওয়ায় তাকে সেফহোমে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ মামলায় গ্রেপ্তার রিফাত ফরাজী, রাব্বি আকন, আরিয়ান শ্রাবণ ও কামরুল হাসান সাইমুনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। রিফাত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২ জুলাই ভোরে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।

বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন জানান, আজ মঙ্গলবার রিফাত ফরাজীর ১৪ দিনের রিমান্ড শেষ হবে। কামরুল হাসান সাইমুনকে চার দফায় ১৬ দিন ও আরিয়ান শ্রাবনকে দুই দফায় ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তাঁর স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওই দিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে পাঁচ থেকে ছয়জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মন্তব্য