kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

সবিশেষ

‘ওয়ান্টেড’ পোস্টারে অপরাধীর কচি মুখ!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘ওয়ান্টেড’ পোস্টারে অপরাধীর কচি মুখ!

যেভাবেই হোক অপরাধীকে পাকড়াও করতেই হবে। কিন্তু কিছুতেই সে জালে ধরা পড়ছে না। অগত্যা শহরজুড়ে পোস্টার ফেলার ব্যবস্থা করল পুলিশ। আর পোস্টারে লাগাল অপরাধীর একদম ছোটবেলার ছবি। উপায় কী? এখনকার ছবি যে নেই। তাই অপরাধীর ছোটবেলার ছবিই ভরসা।

অপরাধী তখন সম্ভবত প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়ুয়া। পরনে নীল শার্ট। দুই চোখজুড়ে বিস্ময়। একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে ক্যামেরার দিকে। এই ছবিই পোস্টার হিসেবে ছাপিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ‘যেমন করেই হোক অপরাধীকে তাদের চাই।’ সঙ্গে পুলিশের দাবি, বাচ্চাটির চোখ-নাক-মুখ কিছুই নাকি বদলায়নি। চেহারার আদলে বদল ঘটেনি। অতএব ছোটবেলার ছবি দেখেই খুঁজে বের করা যাবে অপরাধীকে।

কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশের এমন কীর্তি ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ। বড় হয়ে অপরাধী বনে যাওয়া একজনকে খুঁজে বের করতে পুলিশ কিভাবে তার ছোটবেলার ছবি ব্যবহার করেছে—তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে অনেকে। কিন্তু নিজেদের সমর্থনে যুক্তি সাজিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারাও। তাঁরা বারবার বলেছেন যে অপরাধের জন্য অপরাধীকে খোঁজা হচ্ছে, ঘটনাস্থলে যে ছবি মিলেছে, তা খুবই অস্পষ্ট। তাই অপরাধীকে খুঁজে বের করার জন্য তার ছোটবেলার ছবি ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ।

এমন নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ইউনান প্রদেশের জেনজিয়ংয়ে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবর অনুযায়ী, জেনজিয়ংয়ের পুলিশ সম্প্রতি ১০০ জন অপরাধীর ছবি প্রকাশ করেছে। আর তার মধ্যেই ছিল চার অপরাধীর ছোটবেলার ছবি। এই চারটি ছবির মধ্যেই একটি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। কড়া ভাষায় পুলিশের সমালোচনা শুরু করে নেটিজেনরা। তাঁদের তীব্র আক্রমণের কারণে বাধ্য হয়েই বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেয় জেনজিয়ং পুলিশ। সূত্র : দ্য ওয়াল।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা