kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভিপি নুর দায়িত্ব নেবেন কি না আজ সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভিপি নুর দায়িত্ব নেবেন কি না আজ সিদ্ধান্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নবনির্বাচিত সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর দায়িত্ব নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। আজ শুক্রবার কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, নির্বাচনে পরাজিত বাম জোট ও স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের পরই সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করছে ছাত্রলীগ ছাড়া বাকি প্যানেলগুলো। এরই মধ্যে আগামীকাল শনিবার ডাকসু ও হল সংসদে নবনির্বাচিতদের অভিষেক হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতিও শেষ করে এনেছে।

জানতে চাইলে ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচনে নানা অনিয়ম হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন একবারও স্বীকার করছে না। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ আন্দোলন করছে, যারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। আমি তাদের কথার বাইরে যেতে পারি না। সবার মতামত নেওয়ার জন্য শুক্রবার বিকেলে বৈঠক করব। সেখানে যা সিদ্ধান্ত হবে, সেটাই করব আমরা।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনের দীর্ঘ সময়ের সতীর্থরা, বাম জোট ও স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থীরাও এ সভায় থাকবে। সবাইকে নিয়েই আমরা সভা করে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। তারা যে মতামত দেবে, সেটাই করব আমি।’

দীর্ঘ ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও অনিয়মের অভিযোগ এনে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ আন্দোলন করছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন নুর।

ডাকসুর ২৫টি পদের মধ্যে ভিপি ও সমাজসেবা সম্পাদক ব্যতীত সব কয়টিতেই জিতেছে ছাত্রলীগ। হল সংসদে ছাত্রলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ছাত্রীদের হলে জিতেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ভিপি নুর ছাত্রলীগের হল শাখার সাবেক নেতা। আর সমাজসেবা সম্পাদক পদে বিজয়ী আখতার হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে অনশন করে জনপ্রিয়তা পান।

জানা গেছে, ছাত্রলীগের প্যানেলের বাইরে নির্বাচিত হওয়া নুর সাধারণ শিক্ষার্থী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের চাপে রয়েছেন। নির্বাচন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দায়িত্ব না নিতে তাঁর ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বলছে, নির্বাচিত হওয়ার পরও দায়িত্ব না নিয়ে কোনো উপায়ও নেই। কারণ নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়ম হলেও প্রশাসন পাত্তা দিচ্ছে না। বরং ভিপি নুর দায়িত্ব নেওয়ার পর দাবিদাওয়া নিয়ে সক্রিয় হলেই ভালো হয়। নতুবা ভিপি পদ শূন্য হয়ে আবার নির্বাচন হলে ছাত্রলীগেরই কেউ হয়তো নির্বাচিত হবে। এ জন্য ভিপি নুরের দায়িত্ব নেওয়ার পক্ষে তারা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি সূত্র বলছে, বাম জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নুরের দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে আসছে। তারা চায় নুর দায়িত্ব না নিয়ে পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে সক্রিয় হোন।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা