kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

সবিশেষ

মহাকাশ অভিযানে ‘স্বাবলম্বী’ ড্রোন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মহাকাশ অভিযানে ‘স্বাবলম্বী’ ড্রোন

প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে রোবট ও ড্রোনের প্রয়োগও বাড়ছে। এবার তাদের পরস্পরের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে স্বতন্ত্র করে তোলার উদ্যোগ চলছে। ভবিষ্যতে গ্রহান্তরের অভিযানে স্বাধীন রোবটের ঝাঁক গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য।

কানাডার মিস্ট ল্যাবের জোভানি বেলট্রাম ও তাঁর সহকর্মীরা একঝাঁক ড্রোনের জন্য এক কৃত্রিম ও স্বতন্ত্র বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টি করেছেন। কার ক্যামেরা সবচেয়ে ভালো? কে সবচেয়ে ভালোভাবে আকাশ থেকে মাপজোখ করতে পারে? এসব বিষয় নিয়ে ড্রোনগুলোর মধ্যে সংলাপ চলছে। সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে এসব যন্ত্র নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

জোভানি বলেন, ‘এসব ড্রোন সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে এবং পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে সমন্বয় করে। নিজেদের মধ্যে সংলাপ চালিয়ে তারা কাজ স্থির করে।’

উদ্ভাবকরা জানান, ‘যন্ত্র সম্পর্কে মানুষের মতো কথা বলতে সত্যি অদ্ভুত লাগে। আমাদের বাইরে রেখে তারা নিজেরাই সক্রিয় হয়ে ওঠে, নিজেদের মধ্যে সংলাপ চালায়। ড্রোনের এ ঝাঁক আগে থেকে ওড়ার জায়গা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। প্রথম ড্রোনটি একটি চৌকো ক্ষেত্র বেছে নিয়েছে, দ্বিতীয়টি অন্য একটি ক্ষেত্রের ওপর উড়ছে। ড্রোনের মোট সংখ্যা যতই হোক না কেন, প্রতিটি ড্রোন নির্ধারিত ক্ষেত্রের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। একটি ড্রোন বিকল হয়ে গেলে ঝাঁকের বাকি ড্রোনগুলো তা টের পায়। তখন নতুন করে নিজেদের মধ্যে জায়গা ভাগ করে নেয়।

জোভানি বেলট্রাম বলেন, ‘এই অভিযানই সম্ভবত প্রথম স্বয়ংসম্পূর্ণ উড়াল, যার আওতায় রোবটগুলো বাকিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরোপুরি একাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।’ অন্য রোবটগুলোর ক্ষেত্রেও এমনটা সম্ভব। একে বলে ‘সম্পূর্ণ বিকেন্দ্রিত প্রণালী’। অর্থাৎ প্রণালীর প্রতিটি অংশ একাধিক কম্পিউটারে বিভক্ত থাকে। সেগুলো পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করতে পারে। সূত্র : ডয়চে ভেলে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা